নয়াদিল্লি, ৫ জুলাই (হি. স.): প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ৩৯২৯ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। বুধবার বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি সিটি রবি কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে বুধবার এই মামলার শুনানির কথা ছিল। কিন্তু তা পিছিয়ে গিয়েছে। আদালতের নির্দেশ, ১২ জুলাই মামলার শুনানি হবে। সেই সঙ্গে প্রাথমিকে নিয়োগের মূল মামলার সঙ্গে জুড়ে যাবে এই মামলাটিও।
২০১৬ ও ২০২০-তে ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে দু’টি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ২০২০ সালের নিয়োগে ১৬,৫০০ পদে নিয়োগের কথা জানায় রাজ্য সরকার তথা পর্ষদ। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সব পদ পূরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে উঠে আসে, ১৬,৫০০ পদের মধ্যে সাড়ে ১২ হাজার পদে নিয়োগ হয়েছে। অর্থাৎ, ঘোষণার পরও ৩৯২৯ পদে নিয়োগ হয়নি। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, পর্ষদকে ৩৯২৯টি শূন্যপদে নিয়োগ করতে হবে। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ ছিল, ওই শূন্যপদের অধিকার ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের। তাই তাঁদেরই নিয়োগ করতে হবে। পরে টেটে প্রশ্ন ভুলের কারণে মামলাকারীদের চাকরি দিতে নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এরপর পর্ষদ এবং ২০১৭ সালের টেট উর্ত্তীর্ণদের একাংশ এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চও এবিষয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ই বহাল রাখে। শুধু মামলাকারীদের প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছিল সিঙ্গল বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সকলকেই চাকরি দিতে হবে। তারপরই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল পর্ষদ।