নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৪ জুন৷৷ গোশালার অন্তরালে নেশার রেকেট৷ অবশেষে মধুপুর থানার পুলিশ লরি বোঝাই নেশা সামগ্রী আটক করতে সক্ষম হয়েছে৷ লরির চালক ও সহচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ গোশালার আড়ালে চলছে নেশার র্যাকেড ! গোশালার গবাদী পশুর খাবারের সাথে রাজ্যে প্রবেশ করছে অবৈধ নেশা সামগ্রী৷ বাংলাদেশে পাচারে উদ্দেশ্যেই বিশালগড়ে প্রবেশ করেছিল গাড়িটি৷ প্রায় দেড় কোটি টাকার অবৈধ নেশা দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়৷ জানা যায় বিশালগড় মধুপুর থানাধীন দেবীপুরের এক গোশালার গবাদী পশুর খাদ্য সামগ্রী বোঝাই এই লরিটি সন্দেহজনক ভাবে আটক করে মধুপুর থানার পুলিশ৷শনিবার মধ্যরাতে মধুপুর থানাধীন পূণ্য সেনাপতি পাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয় ১২ চাকার৷ লরি থেকে এই নিষিদ্ধ কফ সিরাপগুলি উদ্ধার করা হয়৷ নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার রাতে লরিটি বিশালগড় থানায় নিয়ে আসা হয়৷ রবিবার সকাল থেকে বিশালগড় মেজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লরিটিতে তল্লাশি চালিয়ে এসকফ নামক অবৈধ নেশা সামগ্রী উদ্ধার করা হয়৷ ৩০০ কার্টুনে প্রায় ৪৮ হাজারের বেশি বোতল এসকপ সিরাফ নামানো হয়৷ গাড়ির চালক অঙ্কুশ শুক্লা এবং সহ চালক রাজন সিংকে আটক করেছে পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সহ মধুপুর ও বিশালগড় থানার পুলিশ৷’প্রায় দেড় কোটি টাকার অবৈধ নেশা জাতীয় কফ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ৷ চালক এবং সহ চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মধুপুর থানার পুলিশ৷
দীর্ঘদিন ধরে গোশালার গবাদী পশুর খাবারের সাথে বহিরাজ্য থেকে রাজ্যে প্রবেশ করছে অবৈধ নেশা সামগ্রী৷ শনিবার রাতে বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যেই বিশালগড়ে প্রবেশ করেছিল একটি লরি৷ প্রায় দেড় কোটি টাকার অবৈধ নেশা জাতীয় কফ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করা হয়৷ পুলিশ জানায় বিশালগড় মধুপুর থানাধীন দেবীপুরের এক গোশালার গবাদী পশুর খাদ্য সামগ্রী বোঝাই এই লরি সন্দেহজনক ভাবে আটক করে মধুপুর থানার পুলিশ৷ রাতেই গাড়িকে আটক করে বিশালগড় মহকুমার মধুপুর থানার পুলিশ৷ নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার রাতে লরিটি বিশালগড় থানায় নিয়ে আসা হয়৷ রবিবার সকাল থেকে বিশালগড় মেজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লরিটি তল্লাশি চালিয়ে এসকফ নামক অবৈধ নেশা সামগ্রী উদ্ধার করা হয়৷ ৩০০ কার্টুনে প্রায় ৪৮ হাজারের বেশি বোতল গাড়ি থেকে নামানো হয়েছে৷ গাড়ির চালক অঙ্কুশ শুক্লা এবং সহ চালক রাজন সিং -কে আটক করেছে পুলিশ৷ পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি মামলা নিয়ে ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে৷ তবে মূল পাণ্ডাদের গ্রেপ্তার করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে৷ পুলিশ শুধুমাত্র পাচারকারীদেরই গ্রেফতার করে দায়িত্ব শেষ করে নেয়৷ পাচারকারীদের পাশাপাশি মূল পাণ্ডাদেরও গ্রেপ্তার করার দাবি উঠতে শুরু করেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে৷
2023-06-04