কালিয়াগঞ্জ, ৩ মার্চ (হি. স.) : উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের ধনকৈল গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর শংকরপুর এলাকায় ছাদ থেকে দুই শিশু ও গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ।পরপর ঝুলছে দুই শিশু সন্তানের দেহ। খানিকটা দূরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছেন মা। শুক্রবার ঘর থেকে দুই শিশু ও গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনজনকেই খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ মৃতার বাপেরবাড়ির লোকেদের। এই ঘটনায় মৃতার শ্বশুর ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত গৃহবধূর নাম ময়না বর্মন (২১)। দুই শিশুর নাম মিলন বর্মন (৩) এবং মৌমিতা বর্মন (৫)। মৃতার বাপেরবাড়ির লোকেদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে ময়নার ওপর অত্যাচার চালাত তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। জানা গিয়েছে, অষ্টপ্রহর উপলক্ষ্যে এদিন দুই সন্তানকে নিয়ে বাপেরবাড়ি যাওয়ার কথা ছিল ময়নার। তবে তার আগেই তিনজনের দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার মা রেনু বর্মনের অভিযোগ, মেয়ে ও নাতি-নাতনিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এদিকে, ময়নার ওপর অত্যাচারের কথা স্বীকার করে নেন হরিয়ানায় প্লাই ফ্যাক্টরিতে কর্মরত স্বামী শশি মোহন বর্মন।
কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দীপাঞ্জন দাস জানিয়েছেন, দুই সন্তান ও গৃহবধূর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দু’জনকে আটক করা হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



















