আগরতলা, ৫ জানুয়ারি (হি. স.) : কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে রাহুল গান্ধীকে আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সংসদে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের বিল এনেছিলাম। তাতে কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, তৃণমূল সহ বিরোধীরা কাকের মতো চিত্কার চেচামেচি শুরু করে দিয়েছিলেন। তাঁরা ওই বিল পাস হলে কাশ্মীরে রক্তগঙ্গা বইবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। অথচ, বিল পাস হয়েছে তিন বছর অতিক্রান্ত, রক্তগঙ্গা বয়ে যাওয়া দূরে থাক, কারোর ইট পাটকেল ছুড়তে এখন সাহস হচ্ছে না।
আজ সাব্রুমে জনবিশ্বাস যাত্রার সূচনা ঘিরে আয়োজিত জনসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কংগ্রেস, কমিউনিস্ট সহ বিরোধীদের এভাবেই নিশানা করেছেন। এদিন তিনি বলেন, কাশ্মীর আমাদের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। কিন্তু, স্বাধীনতার পরবর্তী ৭০ বছরে কংগ্রেস ও কমিউনিস্টরা ৩৭০ ধারাকে বাচ্চার মতো কূলে তুলে যত্ন করেছিল। তবে, ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করে দিয়েছেন।
তাঁর কথায়, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের জন্য সংসদে বিল এনেছিলাম। সেই বিলের বিরোধিতায় কংগ্রেস সহ বিরোধীরা কাকের সুরে চিত্কার চেচামেচি শুরু করেছিলেন। ওই বিল পাস হলে কাশ্মীরে রক্তগঙ্গা বইবে, এমনটা তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। অথচ, গত তিন বছরে এমন কিছুই দেখা যায়নি। রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে অমিত শাহ-র তোপ, কাশ্মীরে গত তিন বছরে রক্তগঙ্গা বয়ে যাওয়া দূরে থাক, একটি ইট পাটকেল ছুড়তে কারোর সাহস হয়নি।
তাঁর অভিযোগ, সোনিয়া-মনমোহনের সরকারের জমানায় কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত অনুপ্রবেশকারীরা প্রবেশ করতেন। জঙ্গিরা সীমান্ত ডিঙিয়ে এপাড়ে এসে আমাদের জওয়ানদের উপর হামলা করতেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকেও তাঁদের মতোই দুর্বল ভেবেছিলেন। কিন্তু, পুলওয়ামা, উড়ি হামলার ১০ দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদী সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে দেখিয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, এভাবেই প্রধানমন্ত্রী হুশিয়ারি দিয়ে বুঝিয়েছেন, সীমা এবং সেনা বাহিনীর উপর হামলার কড়া জবাব দেবে ভারত।

