তিনসুকিয়া (অসম), ১০ জুলাই (হি.স.) : ভারতীয় সেনাবাহিনী উজান অসমের তিনসুকিয়া জেলার পেঙেরি এলাকায় উগ্রপন্থী সংগঠন ‘ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম (স্বাধীন)-এর এক ক্যাডারকে গুলি করে হত্যা করার কয়েকদিন পর একই স্থানে ফের সেনা বাহিনী ও আলফা (স্বাধীন)-এর মধ্যে তুমুল গোলাগুলি শুরু হয়েছে।
তিনসুকিয়ার পেঙ্গেরি থানাধীন কুজুপাথার গ্রামে আলফা (স্বাধীন)-এর একদল ক্যাডার লুকিয়ে আছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর ডিআইজি জিতমল দলের নেতৃত্বে সেনা বাহিনী নিয়ে তিনসুকিয়া পুলিশের একটি দল অভিযান শুরু করে। সন্দেহ করা হচ্ছে, আলফা-স্বাধীনে নেতৃত্বে দিচ্ছে সিনিয়র নেতা রূপম অসম। জেলা সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোটা গ্রামকে ঘিরে রেখেছে।
জানা গেছে, গত ১ জুলাই সেনা বাহিনীর গুলিতে আলফা (স্বাধীন)-এর এক ক্যাডার জ্ঞান অসমের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনার কয়েকদিন পর গতকাল থেকে ফের ওই একই গ্রামে ঘাঁটি গেড়েছে সশস্ত্র আলফা (স্বাধীন)-এর এক দল। সেদিন গুলি বিনিময়ে আলফা (স্বাধীন)-এর জ্ঞান অসমের মৃত্যুর পাশাপাশি অন্তত দু-তিনজন ক্যাডার আহত হয়েছিল। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করেছিল সেনা পুলিশের যৌথ বাহিনী, জানা গেছে জেলা পুলিশের সদর দফতর সূত্রে।
সূত্রের খবর, জেলার কাকোপাথার থানার অধীন দ-পথার মাজগাঁওয়ে রূপম অসমের নেতৃত্বে আলফা (স্বাধীন)-এর ছয় জনের এক দল ঘাঁটি গেড়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। এরা গ্রামের এক গৃহস্থের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। ওই তথ্য পাওয়ার পর ১৪ আসাম রেজিমেন্ট এবং পুলিশের যৌথ এক দল অভিযানে গেলে উগ্রপন্থীরা তাঁদের লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গুলি ও গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বসে। ঘটনার পর পালিয়ে গা ঢাকা দেয় আলফা (স্বা)-এর দল। তাদের ধরতে নিরাপত্তা বাহিনী চিরুনি অভিযান শুরু করে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, ২০২১ সাল থেকে একতরফা যুদ্ধবিরতিতে রয়েছে আলফা (স্বাধীন)।

