আগরতলা, ৮ এপ্রিল: উত্তর ত্রিপুরার লক্ষিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চান্দপুর এলাকায় এক বিশেষভাবে সক্ষম নাবালকের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জলাশয়ে ভেসে উঠল তার ক্ষতবিক্ষত দেহ, যা ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।
মৃত নাবালকের নাম বিল্লাল উদ্দিন। তার বাড়ি অসমের শ্রীভূমি জেলার কাঁঠালতলি বড়বাড়ি এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল বিল্লাল তার মায়ের সঙ্গে আত্মীয়ের বাড়িতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উত্তর ত্রিপুরার লক্ষিনগরে আসে। ৬ এপ্রিল ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। সেইদিনই হঠাৎ করে অনুষ্ঠানস্থল থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় বিল্লাল।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না মেলায় ৭ এপ্রিল চুরাইবাড়ি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করে পরিবার। এরপর বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি দুর্গম এলাকার জলাশয়ে বিল্লালের মৃতদেহ ভাসতে দেখেন এবং বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিবারের অভিযোগ, বিশেষভাবে সক্ষম ওই নাবালকের পক্ষে এত দুর্গম এলাকায় একা পৌঁছানো সম্ভব নয়। এছাড়াও তার নাক-মুখে আঘাতের চিহ্ন এবং রক্তক্ষরণের উপস্থিতি দেখে তারা সন্দেহ করছেন, তাকে খুন করে দেহটি জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে পরিবার। পাশাপাশি দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও তুলেছেন তারা। ঘটনায় সমগ্র এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।



















