টি-২০ বিশ্বকাপ : ‘২২৫ রানটা একটু বেশি হয়ে গেল’, শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর আক্ষেপ ওমান অধিনায়ক জতিন্দর সিংহের

কলম্বো, ১২ ফেব্রুয়ারি (আইএএনএস) : শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা ও মানের কাছে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেনি ওমান। আইসিসি পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ বি ম্যাচে ১০৫ রানে হারের পর স্বীকার করলেন ওমান অধিনায়ক জতিন্দর সিংহ, বললেন, ২২৫ রানটা একটু বেশি হয়ে গেল।

ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২২৫ রান তোলে। পবন রথনায়েকে, কুশল মেন্ডিস ও দাসুন শানাকার অর্ধশতরানে ভর করে বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে লঙ্কানরা। জবাবে ওমান ৯ উইকেটে ১২০ রানেই থেমে যায়। যদিও মোহাম্মদ নাদিম অপরাজিত ৫৩ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন।

ম্যাচ শেষে জতিন্দর বলেন, আমরা খুব ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই খেলেছি। প্রথম ম্যাচ থেকে খুব বেশি কিছু নেওয়ার ছিল না। আজ আমরা লড়াইয়ে ছিলাম, কিন্তু শ্রীলঙ্কা আমাদের ওপর চাপ তৈরি করেছে। ২২৫ রানটা একটু বেশি হয়ে গেল।

শানাকার মাত্র ২০ বলে বিস্ফোরক অর্ধশতরান ও শ্রীলঙ্কার ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ওমানের সামনে পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্য দাঁড় করায়। অভিজ্ঞ পূর্ণ সদস্য দেশের বিরুদ্ধে এত বড় লক্ষ্য তাড়া করা কঠিন ছিল বলেই মনে করেন জতিন্দর।

তিনি বলেন, দক্ষতার দিক থেকে খুব বেশি কিছু করার থাকে না। মানসিকতায় আরও ইতিবাচক হওয়া যায়। আমাদের দলে দেখলে বুঝবেন, ৪-৫ জনের বেশি খেলোয়াড় নেই যারা ৪০টির বেশি টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই একাধিক উইকেট হারায় ওমান, যার মধ্যে অধিনায়ক জতিন্দর নিজেও ছিলেন। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দল। শ্রীলঙ্কার বোলাররা গোটা ইনিংস জুড়ে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন।

সহযোগী (অ্যাসোসিয়েট) দলগুলির কাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন জতিন্দর। তিনি বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে। বাস্তবতা হল, আমরা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাই না, ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টেও অংশ নেওয়ার সুযোগ সীমিত। কোচ ও ম্যানেজমেন্ট সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু পর্যাপ্ত টি-২০ অভিজ্ঞতা ছাড়া খুব বেশি কিছু করা যায় না। তবুও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব।

ভারী ব্যবধানে হার সত্ত্বেও জতিন্দর জোর দিয়ে বলেন, বড় মঞ্চে সুযোগ পেলেই নিজেদের উন্নতি করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে ওমান, এবং শীর্ষ দলগুলির সঙ্গে অভিজ্ঞতার ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

Leave a Reply