নয়াদিল্লি, ২৯ জানুয়ারি: বারামতির কাছে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করা হবে আজ একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক।
মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে এবং তদন্ত দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।
এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার পরপরই সমস্ত প্রয়োজনীয় উদ্ধার ও তদন্তমূলক ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।
“সম্পূর্ণ, স্বচ্ছ এবং সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার,” বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণের জন্য ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন এবং এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো-এর দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারি দিল্লি থেকে এএআইবি-এর তিন সদস্যের একটি দল এবং মুম্বই আঞ্চলিক দপ্তর থেকে ডিজিসিএ-এর তিন আধিকারিকের আরেকটি দল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
একই দিনে এএআইবি-এর ডিরেক্টর জেনারেল জি.ভি.জি. যুগন্ধরও ঘটনাস্থলে যান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর এবং নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তদন্ত সম্পূর্ণ করতে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এএআইবি রুলস, ২০২৫-এর রুল ৫ ও ১১ অনুযায়ী এই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে, এই বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার ঘটনায় পুনে গ্রামীণ পুলিশ বারামতি তালুকা থানায় একটি অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ রিপোর্ট দায়ের করেছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তের পর এই এডিআর মহারাষ্ট্রের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। এএআইবি দলের রিপোর্টের ভিত্তিতেই সিআইডি পরবর্তী তদন্ত পরিচালনা করবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

