নয়াদিল্লি, ২৭ জানুয়ারি: মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, রাজ্যের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সাংমার প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।
সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, “মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কনরাড সাংমা জিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। রাজ্যের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে তাঁর প্রচেষ্টা উল্লেখযোগ্য। তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।”
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক রাজনৈতিক নেতাও এদিন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ লেখেন, “মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা জিকে আন্তরিক জন্মদিনের শুভেচ্ছা। প্রভু শ্রীরাম আপনার জীবনে সুস্বাস্থ্য, অটুট শক্তি ও সাফল্য দান করুন এবং আপনার নেতৃত্বে মেঘালয় উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায় পৌঁছাক।”
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “মেঘালয়ের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তাঁর নেতৃত্বে রাজ্য উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন শিখরে পৌঁছচ্ছে। মা কামাখ্যা ও শ্রীমন্ত শঙ্করদেবের কাছে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা জিকে উষ্ণ জন্মদিনের শুভেচ্ছা। দেশের সেবায় তাঁর দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন কামনা করি।”
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “মেঘালয়ের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কনরাড সাংমা জিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তাঁর নেতৃত্ব রাজ্যকে উন্নয়ন ও নতুন সুযোগের পথে এগিয়ে নিয়ে যাক। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও জনসেবায় অব্যাহত শক্তি কামনা করি।”
উল্লেখ্য, কনরাড সাংমা হলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রবীণ নেতা পি. এ. সাংমার পুত্র। উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার হোয়ার্টন স্কুল থেকে উদ্যোক্তা ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে ফিন্যান্সে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
২০০৪ সালে প্রথমবার মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি ও তাঁর ভাই দুজনেই বিধানসভায় নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালের মার্চে তাঁর পিতার প্রয়াণের পর তিনি ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)-র সভাপতি হন। পরবর্তীতে তিনি তুরা কেন্দ্র থেকে ১৬তম লোকসভায় নির্বাচিত হন।
তিনি অষ্টম মেঘালয় বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি মেঘালয়ের সর্বকনিষ্ঠ অর্থমন্ত্রী হন। এছাড়াও তিনি ন্যাশনালিস্ট ইয়ুথ কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন।
_____

