পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম লখিমপুর খেরির কুখ্যাত গ্যাংস্টার তালিব

সুলতানপুর, ৬ জানুয়ারি : উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরিতে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণে অভিযুক্ত কুখ্যাত গ্যাংস্টার তালিব ওরফে আজম খান পুলিশের সঙ্গে এক এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে লখিমপুর খেরির দিয়ারা সেতুর কাছে লাম্ভুয়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের দাবি, ধৃতের দুই সঙ্গী সলমন ও মুখতার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, লখিমপুর খেরির দুই কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনার পর থেকেই তালিব ও তার সঙ্গীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল প্রশাসন। সোমবার গোপন সূত্রে খবর আসে যে, দিয়ারা সেতুর কাছে একটি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে তালিব ও তার দুই সহযোগী। সেই খবরের ভিত্তিতেই পুলিশের একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় অভিযানে যায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই অপরাধীরা গুলি চালাতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। দীর্ঘক্ষণ দু’পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলে। গুলিতে গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তালিব। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তার দুই সঙ্গী সলমন এবং মুখতার চম্পট দেয়।

পুলিশ সুপার কুঁয়ার অনুপম সিংহ জানিয়েছেন, মৃত তালিবের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, গোহত্যা, ডাকাতি এবং গাড়ি চুরির মতো প্রায় ১৭টি অপরাধের মামলা দায়ের ছিল। লখিমপুর খেরি এবং সুলতানপুর— এই দুই জেলাতেই তালিব ও তার গ্যাংয়ের চরম ত্রাস ছিল। সরকার তার মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ১ লক্ষ টাকা।

গুলিবিদ্ধ তালিবকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী লাম্ভুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সুলতানপুর সরকারি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

বর্তমানে পলাতক সলমন ও মুখতারের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

Leave a Reply