নয়াদিল্লি, ২০ নভেম্বর : কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জে পি নাড্ডা আজ বলেছেন, গত দশকে ভারত আন্তর্জাতিকভাবে স্বাস্থ্য গবেষণা ও ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জাতীয় ওয়ান হেলথ অ্যাসেম্বলি ২০২৫-এ এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, দেশটি এখন একটি উদ্ভাবনী কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা প্রযুক্তির অগ্রগতি, শক্তিশালী গবেষণা সক্ষমতা এবং দ্রুত বর্ধমান স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম দ্বারা চালিত।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় ওয়ান হেলথ মিশনের সূচনা ভারতের মহামারি প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ, যা ১৬টি কেন্দ্রীয় ও রাজ্য মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরকে একত্রিত করে মানব, পশু ও পরিবেশের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে কাজ করতে সহায়তা করবে। তিনি দেশীয় প্রযুক্তির উদাহরণ হিসেবে ট্রুন্যাট, পাথোডিটেক্ট, ক্রিসপার-এর মতো উদ্ভাবনী মেড-টেক স্টার্ট-আপগুলির কথা তুলে ধরেন, যা দ্রুত ও সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভারতের সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।
নাড্ডা আরও বলেন, ভারতের ভ্যাকসিন নেতৃত্ব অসাধারণ, কারণ ভারত কোভ্যাক্সিন, কোর্বিভ্যাক্স ও কোভিশিল্ডের মতো দেশীয় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরি করেছে এবং একশোরও বেশি দেশে এই ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। তিনি যোগ করেন, জাতীয় ওয়ান হেলথ মিশনের আওতায় গঠিত নেটওয়ার্ক মহামারি ও সংক্রামক রোগের উদ্ভবের আগাম সংকেত চিহ্নিত করে, সমস্ত সেক্টরে স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়তা করবে।
এছাড়া, জাতীয় ওয়ান হেলথ অ্যাসেম্বলি-তে কথা বলেন, নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ড. ভি কে পল। তিনি বলেন, জাতীয় ওয়ান হেলথ মিশন একটি অত্যন্ত সমন্বিত, উচ্চাভিলাষী ও ভবিষ্যতপ্রস্তুত কাঠামো যা দেশে গঠন করা হয়েছে। ড. পল উল্লেখ করেন, এই মিশন শুধু একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি, যা মহামারি প্রস্তুতি ও সমন্বিত রোগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটি স্থায়ী স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

