আগরতলা, ১৩ অক্টোবর : উত্তর জেলার পানিসাগর এলাকায় সম্প্রতি ঘটে গেছে এক হৃদয়বিদারক এবং নৃশংস ঘটনা, যা না শুধুমাত্র রাজ্যবাসীকে, বরং সমগ্র সমাজকে স্তম্ভিত করেছে। নিজের ১৪ মাসের নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত দাদুকে আজ ধর্মনগর জেলা দায়রা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি অংশুমান দেববর্মা না থাকায় বিচারের দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ দে। ওই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার সাব ইন্সপেক্টর শিবু রঞ্জন দে তিনদিনের রিমান্ডের আবেদন জানায় আদালতে। তবে অভিযুক্ত জয়নাল উদ্দিনকে পানিসাগর থানার হাতে না তুলে দিয়ে তাকে ধর্মনগর থানাতেই রাখা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর জানা গেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ১২ অক্টোবর পানিসাগর থানায় (মামলা নং ২০২৫পিএনএস০৪৭) একটি নৃশংস শিশুহত্যা মামলা দায়ের হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা ও পোকসো আইনের অধীনে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ করা হয় যে, ১১ অক্টোবর বিকেল প্রায় ৬টার সময় উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর থানার অন্তর্গত উত্তর পদ্মবিল এলাকার এক ব্যক্তি, যিনি নিহত ১৪ মাস বয়সী কন্যাশিশুটির মাতামহ, শিশুটিকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরই শিশুটির নিথর দেহ পাওয়া যায় নিকটবর্তী কৃষিজমিতে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই উত্তর ত্রিপুরা জেলা পুলিশ বিশেষ দল গঠন করে অভিযুক্তকে ধরার অভিযান শুরু করে। পুলিশের তৎপরতায় একই দিন সকালে আসাম রাজ্যের নিলামবাজার এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

