আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর : ত্রিপুরা নেশার স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি, সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় দালালদের মারফতে রাজ্যে অনুপ্রবেশ ঘটছে। তাদের চিহ্নিত করে রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ, এই অনুপ্রবেশকারীদের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাঙালীরা কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আজ আমরা বাঙালির তরফ থেকে এমনটাই জানিয়েছে সভাপতি গৌরাঙ্গ রুদ্র পাল।
এদিন গৌরাঙ্গ রুদ্র পাল বলেন, রাজ্যের বর্তমান সময়ে পাশ্ববর্তী দেশে সরকার পরিবর্তনের ফলে কেউ প্রাণ বাঁচানোর জন্য আবার কেউ কর্মসংস্থানের জন্য রাজ্যের কিছু দালালদের মারফতে রাজ্যে প্রবেশ করার চেষ্টা করে আবার কেউ কেউ ঢুকে পড়ছে। এর ফলে রাজ্যের সাধারণ জনগণের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা বাঙালী দল মনে করে যে সকল এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটছে সেই সকল এলাকা গুলো চিহ্নিত করে সেই সকল এলাকা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে এনে নজরদারি জোরদার করা উচিত।
তাছাড়া ভৌগলিক কারণে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়নি যে সকল এলাকা সেই সকল এলাকায় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ বাহিনীর নজরদারির ব্যবস্থা মজবুত করতে হবে। আমরা বাঙালী দল মনে করে এই বেআইনী অনুপ্রবেশের ফলে রাজ্য সরকারের যেমন খরচ বাড়ছে তেমনি প্রশাসনের লোকেরা এই বেআইনী অনুপ্রবেশের দিকে নজর দেওয়া আইনী ব্যবস্থা দেখাশোনা করতে গিয়ে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার দিকে মনোযোগ দিতে পারছে না ঠিক করে। যার ফলে রাজ্যে বাড়ছে নেশার কারবার। যার দরুন রাজ্যের বিভিন্ন স্থান দিয়ে মাদকদ্রব্য ঢুকছে। এর প্রভাব স্থানীয় যুব সমাজের মধ্যে পড়ছে।
তাঁর অভিযোগ, ত্রিপুরা নেশার স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে। এই বেআইনী অনুপ্রবেশকারীদের ভূয়া কাগজ পত্র বের করে দিচ্ছে যে সকল দালালরা তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আর সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় যে সকল দালালদের মারফতে রাজ্যে প্রবেশ করছে বেআইনীভাবে প্রবেশের সুযোগ করে দেয় তাদের চিহ্নিত করে রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ এই বিদেশী অনুপ্রবেশকারীদের দরুন রাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আবার এই অনুপ্রবেশকারীদের দরুন বহিঃরাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় লোকজন বিশেষ করে বাঙালীরা কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তাই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের এই ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

