জাকির হোসেন, ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর: দুর্গাপুজো ঘিরে বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১,২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু নদীতে মাছের টান ও দেশীয় বাজারে অস্বাভাবিক দামের কারণে ব্যবসায়ীরা লোকসানের ভয়ে রপ্তানি করতে চাইছেন না। ইতিমধ্যেই গত দু’দিনে মাত্র ৬৩ মেট্রিক টন ইলিশ গেছে ভারতে।
বরিশালের মাহিমা এন্টারপ্রাইজের বাবর সিকদার জানান, ‘নদীতে মাছ নেই। এই নৌকো, সেই নৌকো ঘুরে মাছ সংগ্রহ করতে হয়। আমার এখান থেকে ৯০ টনের অর্ডার, তা পূরণ করা সম্ভব নয়।’
বর্তমানে মোকামে ৬০০ গ্রামের বেশি ইলিশের পাইকারি দর কেজিপ্রতি ২ হাজার টাকা, এক কেজি বা তার বেশি হলে ২,২০০–২,৫০০ টাকা। রপ্তানির জন্য প্যাকেজিং ও পরিবহণ খরচ ধরলে কেজিপ্রতি দাম আরও ১০০–১৩০ টাকা বাড়ে। অথচ সরকারের নির্ধারিত রপ্তানি দর মাত্র ১,৫২৫ টাকা। ফলে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, রপ্তানিতে বড়সড় লোকসান হবে।
বরিশাল পোর্ট রোড আড়তদার সমিতির সভাপতি কামাল সিকদার বলেন, ‘মাছ কম, দামও বেশি। এ বার আগের মতো টার্গেট পূরণ সম্ভব নয়।’ পাবনার এক রপ্তানিকারক তো বেনাপোলে অপেক্ষার পর শেষমেশ ট্রাকভর্তি ইলিশ যশোরের বাজারেই বিক্রি করে দেন।
অনেক ব্যবসায়ীর দাবি, মরশুমের শুরুতেই চোরাপথে প্রচুর ইলিশ ভারতে চলে যাওয়ায় কলকাতার বাজারে এখন মাছ ভরপুর। তাই রপ্তানির ইলিশ নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না ভারতীয় ক্রেতারা।
2025-09-21

