News Flash

  • Home
  • দেশ
  • সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে শক্তিশালী করতে ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম’-এর কর্মশালার উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
Image

সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে শক্তিশালী করতে ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম’-এর কর্মশালার উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

নয়াদিল্লি, ২৬ আগস্ট: দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের গ্রামগুলির সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম’ কর্মশালার উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বর্ডার ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের উদ্যোগে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এই কর্মশালায় মুখ্য অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী।

উদ্বোধনী ভাষণে অমিত শাহ জানান, ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম তিনটি মূল স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে— সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি থেকে জনসংখ্যা স্থানান্তর বা মাইগ্রেশন রোধ, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্পের পূর্ণ সুবিধা সীমান্তবাসী নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, এবং এই গ্রামগুলিকে দেশের নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, প্রোগ্রামের আওতায় প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত গ্রামগুলি ভবিষ্যতে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার এক অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি, স্থানীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণ, পর্যটনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ, ও সার্বিকভাবে গ্রামীণ জীবনের মানোন্নয়নের চেষ্টা চলছে।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন একটি “পরিকল্পিত ছক” অনুযায়ী ঘটছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এটি নিছক ভৌগলিক কারণে ঘটছে বলে ধরে নেওয়া ভুল হবে। বরং, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়া যা দেশের সীমান্ত ও জাতীয় নিরাপত্তার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

তিনি সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসকদের নির্দেশ দেন, যেন ৩০ কিমি রেডিয়াসের মধ্যে সমস্ত বেআইনি ধর্মীয় দখলদারি সরিয়ে ফেলা হয়। এই ধরনের দখলদারিকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে অভিহিত করেন। উদাহরণ স্বরূপ তিনি জানান, গুজরাট সরকার এই বিষয়ে “উল্লেখযোগ্য কাজ” করেছে এবং স্থল ও সামুদ্রিক সীমান্তে বেশ কয়েকটি বেআইনি দখল হটানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে চালু হওয়া কেন্দ্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষিত ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম’ মূলত ভারতের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলার নির্বাচিত গ্রামগুলির উন্নয়নের উদ্দেশ্যে চালু হয়। এই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে চালু হয়েছে, যার জন্য ২০২৮-২৯ অর্থবছর পর্যন্ত ৬,৮৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে শুধু বসবাসযোগ্য নয়, বরং নিরাপত্তার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ শক্তিতে পরিণত করার দিশা দেখানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Releated Posts

বাংলা নির্বাচন: সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করতে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিজেপির ‘১০০০ কোটি টাকার চুক্তি’ অভিযোগ তৃণমূলের

কলকাতা, ৯ এপ্রিল (আইএএনএস): আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দাবি,…

ByByNews Desk Apr 9, 2026

অনুপ্রবেশে ভাটা, কাশ্মীরে হামলা জারি রাখতে একাধিক রাজ্যে নেটওয়ার্ক গড়ছে আইএসআই: গোয়েন্দা সূত্র

নয়াদিল্লি, ৯ এপ্রিল (আইএএনএস): কাশ্মীরে সরাসরি অনুপ্রবেশ কঠিন হয়ে পড়ায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আন্তঃ-সেবা গোয়েন্দা সংস্থা (আইএসআই) এখন…

ByByNews Desk Apr 9, 2026

‘অশিক্ষিত গুজরাটি’ মন্তব্যে বিতর্ক, দুঃখপ্রকাশ খাড়গের—বললেন, ‘ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে’

নয়াদিল্লি, ৮ এপ্রিল (আইএএনএস): কেরালার এক নির্বাচনী সভায় ‘গুজরাটের মানুষ অশিক্ষিত’ মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়ে কংগ্রেস…

ByByNews Desk Apr 8, 2026

বঙ্গের বিশেষ সংশোধনে ভোটার সংখ্যা কমল প্রথমবার, ২০১১-র পর ভাঙল ঊর্ধ্বমুখী ধারার ধারা

কলকাতা, ৮ এপ্রিল (আইএএনএস): পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রকাশিত চূড়ান্ত পরিসংখ্যানে দেখা গেল, ২০১১…

ByByNews Desk Apr 8, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top