চণ্ডীগড়, ৪ মে: পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই পাঞ্জাব পুলিশের একটি বড় কাউন্টার-এস্পিওনাজ অভিযানে অমৃতসর থেকে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সংবেদনশীল তথ্য ও ছবি ফাঁসের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের নাম পালক শের মাসিহ ও সুরজ মাসিহ।
রবিবার পাঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল গৌরব যাদব এক্স-এ পোস্ট করে জানান, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা অমৃতসর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি হারপ্রীত সিং ওরফে পিট্টু ওরফে হ্যাপির মাধ্যমে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্টদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছিল।” এই ঘটনায় অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-এর আওতায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত আরও গভীর হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসবে বলেও জানান তিনি।
ডিজিপি গৌরব যাদব আরও বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে পাঞ্জাব পুলিশ। দেশের স্বার্থ রক্ষায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে চাওয়া যে কোনও প্রচেষ্টা কঠোর ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়বে।”
এর আগে গত সপ্তাহে, আমৃতসর কমিশনারেট পাঞ্জাব সীমান্তে আইএসআই-সমর্থিত বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের সন্ত্রাসবাদী মডিউলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে, যারা একটি পুলিশ স্থাপনায় গ্রেনেড হামলা চালানোর ছক কষছিল বলে অভিযোগ। ধৃতরা হলেন নরেশ কুমার ওরফে বাব্বু, অভিনব ভাগত ওরফে অভি, অজয় কুমার ওরফে আজ্জু, সানি কুমার (সকলেই আমৃতসরের হরিপুরা এলাকার বাসিন্দা), এবং এক ১৭ বছরের কিশোর।
তদন্তে উঠে এসেছে, বিদেশে অবস্থানকারী গ্যাংস্টার জিওয়ান ফৌজি এই মডিউলটি পরিচালনা করছিল। ধৃতদের মোটরসাইকেল দেওয়া হয়েছিল এবং আজনালা সেক্টর থেকে অস্ত্রের চালান সংগ্রহ করার দায়িত্বও তাদের উপর ছিল। পুলিশের দল একটি হ্যান্ড গ্রেনেড, দেশীয় তৈরি .৩২ ক্যালিবারের পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে। ডিজিপি জানিয়েছেন, ধৃতরা পুলিশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার পরিকল্পনায় সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল।

