ত্রিপুরায় সরিষা বীজের ভালো ফলন

নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ১৬ জানুয়ারি:
ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার অন্তর্গত বিশালগড় রঘুনাথপুর গ্রামে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে সরিষা বীজ উৎপাদন করা হয়। 
এবছরও সরিষা বীজের খুব ভালো ফলন হয়েছে। তাই বিপুল পরিমাণ সরিষা বীজ উৎপাদন হবে এমনটাই আশা করছেন স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেব। বৃহস্পতিবার তিনি কৃষি সুপার হিমামিস লস্কর , সেক্টর অফিসার প্রবীর দত্ত, ভিএলডাব্লিউও পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন পঞ্চায়েত প্রতিনিধি, কৃষক নিয়ে পুরো মাঠ পর্যবেক্ষণ করেন। 
অন্যান্য বছর নতুন করে রঘুনাথপুর গ্রামে কৃষিজমিতে বীজ উৎপাদনের জন্য সরিষা চাষ করা হয়েছে।

পিএম-২৭ প্রজাতির সরিষা চাষ করা হচ্ছে। মূলত এগুলো বীজের জন্য চাষ করা হয়। এ প্রজাতির সরিষায় ফলন খুব ভালো হয়। প্রতি হেক্টরে পিএম-২৭ প্রজাতির সরিষা এক হাজার কেজি থেকে ১২০০ কেজি পর্যন্ত বীজ উৎপাদন হয়। এবছর পিএম-২৭ প্রজাতির সরিষার ফলন খুব ভালো হয়েছে। এর থেকে বিপুল পরিমাণ বীজ পাওয়া যাবে বলে সকলের মত।  কারণ প্রচুর পড তৈরি হয়েছে।
জমি থেকে বীজগুলো তুলে নেওয়ার পর এগুলো রাজ্যের বিভিন্ন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরে কার্যালয়ে সরবরাহ করা হবে। এরপর বিভিন্ন মহকুমার কৃষকদের মধ্যে সরিষার বীজগুলো চাহিদা অনুসারে বণ্টন করা হবে।

মূলত আমন ধান ক্ষেত থেকে তুলে নেওয়ার পর যে পতিত জমি থাকে তাতে সরিষা চাষ করা হয়। ইতিমধ্যে সরিষা ক্ষেতে হলুদ রঙের ফুলে ছেয়ে গেছে। আগামী এক মাস পর এগুলো ক্ষেত থেকে তোলা হবে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে  বিশালগড় কৃষি মহকুমা কার্যালয়ে সরিষা বীজ উৎপাদন করা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার কৃষকদের আয় বাড়ানোর জন্য নানা পরিকল্পনা নিচ্ছে তাই আরও গুরুত্ব সহকারে এ বীজ উৎপাদন করা হচ্ছে। বিশালগড়ে নবীনগর, বিশ্রামগঞ্জ এলাকায় সরিষা চাষ হয়ে থাকে। তবে চাহিদা বেশি থাকায় বেশির ভাগ সরিষা বীজ অন্য রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয়।