News Flash

  • Home
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকারের অংশিদারিত্ব-অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার অনুমোদন মন্ত্রিসভায়
Image

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকারের অংশিদারিত্ব-অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

নয়াদিল্লি, ২৮ আগস্ট : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে জল বৈদ্যুতিক প্রকল্পগুলির উন্নয়নের জন্য উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য সরকারগুলিকে  তাদের অংশিদারিত্ব অংশগ্রহণের বা ইকুইটিতে অংশ নেবার সুবিধার্থে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা (সিএফএ) প্রদানের জন্য বিদ্যুৎ মন্ত্রকের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ থেকে ২০৩১-৩২ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ৪.১৩৬ কোটি টাকা এই প্রকল্পে বাস্তবায়িত হবে। এই প্রকল্পের অধীনে প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াটের একটি ক্রমবর্ধমান জলবিদ্যুৎ ক্ষমতা প্রদান করা হবে। বিদ্যুৎ মন্ত্রকের মোট ব্যয় থেকে উত্তর পূর্ব অঞ্চলের জন্য ১০ শতাংশ গ্রস বাজেটারি সাপোর্ট (জিবিএস) এর মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। বিদ্যুৎ মন্ত্রকের উদ্যোগে গৃহীত এই প্রকল্পটি রাজ্য সরকারের সাথে একটি কেন্দ্রীয় পিএসইউ-এর সমস্ত প্রকল্পের জন্য একটি যৌথ উদ্যোগ৷

পুর্বত্তরের রাজ্য সরকারগুলোর ইক্যুইটি অংশের প্রতি অনুদান মোট প্রকল্প ইকুইটির ২৪ শতাংশ সীমাবদ্ধ করা হবে যা প্রতিটি প্রকল্পের ক্ষেত্রে সর্বাধিক হবে ৭৫০ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা শুধুমাত্র কার্যকরী হাইড্রো ইলেকট্রিক প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এসন্ক্রন্তে কোনো এই প্রকল্পটি চালু হওয়ার সাথে সাথে, হাইড্রো উন্নয়নে রাজ্য সরকারগুলির অংশগ্রহণকে উত্সাহিত করা হবে এবং ঝুঁকি এবং দায়িত্বগুলি আরও ন্যায়সঙ্গতভাবে ভাগ করা হবে। রাজ্য সরকারগুলি স্টেকহোল্ডার হওয়ার সাথে সাথে জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি হ্রাস পাবে। এটি প্রকল্পগুলির সময় এবং ব্যয়কে এড়াতে পারে।

এই প্রকল্পটি উত্তর-পূর্বের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে বিশাল বিনিয়োগ আনবে এবং পরিবহন, পর্যটন, ছোট-বড় ব্যবসার মাধ্যমে পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী করবে। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির বিকাশ ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির সক্ষমতা প্রতিষ্ঠার জন্য ভারতের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (আই এন ডি সি) আদায়ের দিকেও অবদান রাখবে এবং জলবিদ্যুৎের উত্সগুলির একীকরণে সাহায্য করবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় গ্রিডের নমনীয়তা, নিরাপত্তা এবং নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে৷

ভারত সরকার জলবিদ্যুৎ উন্নয়নে বাধা সৃষ্টিকারী সমস্যাগুলি মোকাবেলায় বেশ কিছু নীতিগত উদ্যোগ নিচ্ছে। জলবিদ্যুৎ খাতকে উন্নীত করতে এবং এটিকে আরও কার্যকর করার জন্য ২০১৯ এর ৭ মার্চ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলিকে নবায়নযোগ্য শক্তির উত্স হিসাবে ঘোষণা করে।

Releated Posts

বিদ্যুৎ পরিকাঠামো সম্প্রসারণে জোর, শক্তি উদ্বৃত্ত রাজ্য গড়ার লক্ষ্যে অসম: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

গুয়াহাটি, ১৯ জুন (আইএএনএস) : অসমকে শক্তি উদ্বৃত্ত রাজ্যে পরিণত করতে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চালন ও…

ByByTaniya Chakraborty Jun 19, 2026

অসমে জাপানি এনকেফালাইটিসে ৭ জনের মৃত্যু, নজরদারি জোরদার

গুয়াহাটি, ১৮ জুন (আইএএনএস) : অসমে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত জাপানি এনকেফালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং…

ByBySandeep Biswas Jun 18, 2026

ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে সেমিকন্ডাক্টর, এআই ও গ্রিন এনার্জির গুরুত্ব বাড়বে, যুবসমাজকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান হিমন্তের

গুয়াহাটি, ১৮ জুন (আইএএনএস): অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বৃহস্পতিবার রাজ্যের ছাত্রছাত্রী এবং চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের সুযোগের জন্য…

ByByNews Desk Jun 18, 2026

অসম বিধানসভার উপাধ্যক্ষ পদে বিজেপির প্রার্থী ড. হ্যাবে টেরন, ঘোষণা হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

গুয়াহাটি, ১৮ জুন (আইএএনএস): অসম বিধানসভার উপাধ্যক্ষ পদের জন্য বিজেপি বিধায়ক ড. হ্যাবে টেরনকে শাসক জোটের প্রার্থী হিসেবে…

ByByNews Desk Jun 18, 2026
Scroll to Top