বাঁকুড়া ২৯ জুলাই (হি.স): একটি বাইক চুরির তদন্তে নেমে বাঁকুড়া পুলিশের জালে ধরা পড়লো আন্তঃরাজ্য বাইক চুরি চক্রের মূল পান্ডা সহ তিন দুষ্কৃতী।সেই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া ১৪টি বাইক।বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার পুলিশ উদ্ধার করল ১৪ টি বাইক। আগেও বেশ কয়েকবার বাইক চুরির ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেয়েছিল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। ফের বাইক চুরির তদন্তে বড়সড় সাফল্য পেয়ে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের মনোবল বেড়ে গেল বলে সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান বিষ্ণুপুরের এসডিপিও সুপ্রকাশ দাস। তিনি জানান, গত ২৩ জুলাই ইন্দাস থানার রোল গ্রামের এক বাসিন্দার বাড়ি থেকে চুরি যায় একটি বাইক। বাইকের মালিক লিখিত অভিযোগ জানান ইন্দাস থানায় । অভিযোগ পেয়েই ইন্দাস থানার এএসআই সোমনাথ পাল,এএসআই দেবব্রত মুখার্জিকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তকারি টিম তৈরি করেন।বিভিন্ন মোড়ের সিসি ক্যামেরার ছবি ও পুলিশি সূত্র ধরে পরের দিনই পূর্ব বর্ধমানের মেমারি এলাকা থেকে সজল মন্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া রোল গ্রামের অভিযোগকারির বাইক সহ বেশ কয়েকটি বাইক উদ্ধার হয়। সজল মন্ডলকে আদালত থেকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনায় যুক্ত বিষ্ণু মন্ডল নামের আরেক ব্যক্তিকে পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার কাছ থেকেও উদ্ধার করা হয় আরও কয়েকটি চুরির বাইক। বিষ্ণুকেও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। তারপর সোমনাথ বোস নামের এই চক্রের আরও এক চুরির পান্ডার হদিশ পায় পুলিশ। রবিবার রাতে সোমনাথ বোসকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছেও একাধিক চুরির বাইক ছিল। সেগুলিও উদ্ধার করা হয়। এই তিন জনের কাছ থেকে মোট ১৪ টি চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধার করা হয়েছে। বাইকগুলি মূলত চুরি করা হয়েছিল বাঁকুড়ার ইন্দাস, পাত্রসায়ের ও পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি ও খন্ডঘোষ থানা এলাকা থেকে। গোটা চক্রের মূল পান্ডা সজল মন্ডল। সে তালা ভেঙে বাইক চুরি করত। আর তার সহযোগী সোমনাথ বোস মল্লিকবাজার এলাকা থেকে নতুন নম্বর প্লেট তৈরী করে আনত। এভাবেই তাদের চৌর্যবৃত্তির পরিধি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
2024-07-29

