আগরতলা, ১ মে : ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে ফুসলিয়ে নাবালিকা গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। পরবর্তী সময়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় পুলিশ আজ বিবাহিত যুবককে গ্রেফতার করে। আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
জানা গিয়েছে, বিশালগড় মহকুমা এলাকার ১৫ বছরের ব্রাহ্মণ পরিবারের এক নাবালিকা মেয়ের সাথে সোনামুড়া কুলুবাড়ী এলাকার সাদ্দাম হোসেন নামে এক বিবাহিত যুবক সামাজিক মাধ্যমে চলতি বছরের মার্চ মাসে যোগাযোগ হয়। তারপর থেকেই নাবালিকা মেয়েটিকে বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখিয়ে রাজধানী আগরতলা শহরের কোন এক হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। তারপর গত ২৭ এপ্রিল ওই নাবালিকা মেয়েটিকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে সাদ্দাম হোসেন নামে ওই বিবাহিত যুবক তার নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সাদ্দাম এবং তার এক বন্ধু অভিষেক চক্রবর্তী ওই নাবালিকা মেয়েটিকে বলপূর্বক ধর্ষণ করে। সেখান থেকে নাবালিকা মেয়েটি কোনরকম পালিয়ে বাড়িতে এসে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশালগড় মহিলা থানায় অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন এবং তার বন্ধু অভিষেক চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করে।
কলকার মহিলা থানার পুলিশ যথারীতি ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩৬৬(এ),৩৭৬(৩), ৩৪২,৩৫৪(এ), ৫০৬,৩৪ এবং ০৪ এন ০৮ আইনে মামলা লিপিবদ্ধ করে মঙ্গলবার রাতেই ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনকে পুলিশ জালে তুলে এবং বাকি অভিযুক্ত অভিষেক চক্রবর্তীকে গ্রেফতারের জল বিস্তার করেছে সর্বত্র। বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনকে পুলিশ বিশালগড় মহকুমা আদালতে প্রেরণ করে। আদালত সূত্রে জানা গেছে বিবাদী পক্ষের জামিনের আবেদন নাকচ করে সাদ্দাম হোসেনকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।