নতুন কাশী নয়া ভারতের অনুপ্রেরণা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বারাণসী, ২৩ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): নতুন কাশী নয়া ভারতের অনুপ্রেরণা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, আমাদের জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং আধ্যাত্মিকতার বিকাশে যে ভাষাগুলি সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে, তার মধ্যে সংস্কৃত সবচেয়ে বিশিষ্ট। ভারত একটি ধারণা, সংস্কৃত তার প্রধান অভিব্যক্তি। ভারত একটি যাত্রা, সংস্কৃত তার ইতিহাসের প্রধান অধ্যায়। ভারত বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের দেশ, সংস্কৃত এর উৎপত্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে সাংসদ সংস্কৃত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করেছেন। ছাত্র-ছাত্রী ও বিশিষ্টজনদের মাঝে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “বিগত ১০ বছরে কাশীতে যে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। কাশী সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্যের দু’টি বইও আজ প্রকাশিত হয়েছে। গত ১০ বছরে কাশী যে উন্নয়নের যাত্রা শুরু করেছে তার প্রতিটি স্তর এবং এখানকার সংস্কৃতিও এই বইয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “একটা সময় ছিল যখন সমগ্র বিশ্বে ভারতের সমৃদ্ধির গল্প বলা হত। এর পেছনে শুধু ভারতের অর্থনৈতিক শক্তিই ছিল না। এর পেছনে ছিল আমাদের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধি। আমাদের কাশীর মতো তীর্থস্থান এবং বিশ্বনাথধামের মতো মন্দিরগুলি দেশের উন্নতির জন্য যজ্ঞস্থল ছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “কাশী শিবেরও নগরী, বুদ্ধের শিক্ষারও ভূমি। জৈন তীর্থঙ্করদের জন্মস্থানও কাশী এবং আদি শঙ্করাচার্যও এখান থেকেই জ্ঞানলাভ করেছিলেন। জ্ঞান, গবেষণা এবং শান্তির সন্ধানে সমগ্র দেশ থেকে এমনকি বিশ্বের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ কাশীতে আসেন। প্রতিটি প্রদেশ, প্রতিটি ভাষা, প্রতিটি উপভাষা, প্রতিটি রীতির মানুষ কাশীতে এসে বসতি স্থাপন করেছেন। যেখানে এমন বৈচিত্র্য সেখানেই তো নতুন নতুন ভাবনার জন্ম হয়।” এই অনুষ্ঠানের পর বারাণসীতে সন্ত গুরু রবিদাসের ৬৪৭-তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন সন্ত রবিদাসের বিশাল মূর্তি উন্মোচন করেছেন।