চেন্নাই, ২৮ ডিসেম্বর(হি.স.): সৈয়দ মুজতবা হোসেন কিরমানী আগামীকাল (২৯ ডিসেম্বর) চেন্নাইয়ে জন্মগ্রহণকারী প্রাক্তন ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ১৯৭৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার অভিষেক।দ্বিতীয় টেস্টে এক ইনিংসে ছয় ডিসমিসাল ঘটিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে রেকর্ড গড়েন তিনি।পরের বছর এই নিউজিল্যান্ড ভারত সফরে এলে ৬৫.৩৩ ব্যাটিং গড়ে শীর্ষে আহরণ করেন। ভারতীয় দলে খেলেছেন ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৬।
১৯৮৫-৮৬ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ায় বেনসান হেজেস বিশ্ব সিরিজ কাপের খেলায় অ্যালান বর্ডারের দর্শনীয় ক্যাচ নেওয়ার সময় তার পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ফলে টুর্নামেন্টের বাকি খেলা গুলোয় মাঠের বাইরে থাকতে হয় ও কার্যত তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ এখানেই শেষ হয়ে যায়। তার জায়গায় চলে আসেন কিরণ মোরে ও চন্দ্রকান্ত পন্ডিতের মত তরুণ উদীয়মান উইকেররক্ষকরা।
কিরমানীর সেরা সাফল্য ১৯৮৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপে সেরা উইকেট রক্ষকের মর্যাদা পেয়েছিলেন কিরমানী। ফাইনালে ফাউদ বাক্কাসের দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তিনি। প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনটি ক্যাচও দুটি স্টাম্পিং করে তৎকালীন রেকর্ডের সমকক্ষ হন। বলা যেতে পারে,সেই বিশ্বকাপে অসাধারণ কিপিং করে ভারতকে বিশ্বকাপ জেতাতে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
পরবর্তীকালে সুনীল গাভাস্কারকে অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে যেমন অব্যাহতি দেয়া হয়,তেমনি
কিরমানীকেও তার খারাপ পারফরমেন্সের জন্য তাকে বাদ দেয়া হলেও গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে,ক্যারি প্যাকারের বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে খেলোয়ারদের অংশগ্রহণ নিতে তিনি ও গাভাস্কার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
২০০০ সালের শুরুতে ভারতের দল নির্বাচনের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ”কাভি আজনবি থি” চলচ্চিত্রে খলনায়ক হিসেবে অভিনয়ও করেন।১৯৮২ সালে পদ্মশ্রী সম্মাননা লাভ করেন।



















