ধর্মনগর, ৬ ডিসেম্বর : লোকসভা নির্বাচনের আগে খাদ্য গুদামের কর্মসংস্কৃতি নষ্ট করে দেওয়ার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। বহিরাগতরা শ্রমিকদের মধ্যে বিভাজনের চেষ্টা চালিয়েছে। আজ ধর্মনগর প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন খাদ্য গুদামের শ্রমিক রজত নন্দী।
তাঁর অভিযোগ, বহিরাগতদের একটি চক্র শ্রমিকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে ভারতীয় খাদ্য গুদামের কর্মসংস্কৃতি নষ্ট করে দেওয়ার প্রচেষ্টায় রয়েছে। সামনেই লোকসভায় নির্বাচন, তাই শ্রমিকদের মধ্যে গন্ডগোল বাঁধানোই হচ্ছে ওই চক্রটির মূল উদ্দেশ্য। তাঁর দাবি, বস্তা প্রতি ৪ টাকা ৮০ পয়সা দরে শ্রমিকরা পারিশ্রমিক নেবেন।খাদ্য গুদামে শ্রমিকদের উপস্থিতি নিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে তাও কাগজপত্রের প্রমাণাদি সহ তুলে ধরেছেন তিনি।
তিনি বলেন, বহু শ্রমিক অগ্রিম টাকা নিয়েছেন। তাদের পারিশ্রমিক থেকে সেই টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। তাই সকলেরই প্রভিডেন্ট ফান্ডে অনেক সময় কম টাকা জমা ঢুকছে। কারণ তারা অগ্রিম নেওয়ার কারণে সময় মত পারিশ্রমিক দিচ্ছে না। প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না, ক্ষোভের সুরে বলেন তিনি। সাথে তিনি যোগ করেন, অনেকেরই আধার কার্ডে বিভিন্ন ধরনের ভুলের কারণে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা সঠিক সময়ে পাচ্ছেন না। এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রত্যেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
রজত বাবু বলেন, শ্রমিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সুযোগ নিয়ে বহিরাগতদের একটি চক্র তাঁদের মধ্যে বিভাজনের চেষ্টা চালিয়েছে। একের বিরুদ্ধে অপরজনকে উসকে দিয়ে লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতীয় খাদ্য গুদামের কর্মসংস্কৃতি নষ্ট করে দেওয়ার প্রয়াস চালানো হচ্ছে।
তাঁর দাবি, বহিরাগতদের ভারতীয় খাদ্য গোদানের কর্মসংস্কৃতি নষ্ট করে দেওয়ার প্রচেষ্টা সফল হতে দেওয়া যাবে না। তিনি আরো জানান, কিছুদিনের মধ্যে ওই খাদ্য গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল ঠিকেদার ধর্মনগরে আসছেন। তখন বকেয়া পাওনা নিয়ে যে সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং কিছু সংখ্যক শ্রমিক ত্রিপুরা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছে তাদের সমস্ত বিভ্রান্তি দূর হয়ে যাবে।

