ত্রিপুরা- ১ (সঞ্জীব ) অন্ধ্রপ্রদেশ-০
ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৩ অক্টোবর।। দুরন্ত জয়। শেষ পর্যন্ত টিম ম্যানেজমেন্টকে উৎকন্ঠায় রেখে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় কুলে নিলো ত্রিপুরা। মহারাষ্ট্রের কোলাপুরের অনুষ্ঠিত ৭৭ তম সন্তোষ ট্রফি ফুটবলে। ওই রাজ্যের ছত্রপতি শাউল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ত্রিপুরা জয় পায় নূণ্যতম গোলে। শুক্রবার যদি নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে ত্রিপুরা কমকরে ৪-০ গোলে জয় পেতো তাহলে অবাক হওয়ার কিছু ছিলো না। শুরু থেকে দাপটের সঙ্গে খেললেও বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে কোচ সহ টিম ম্যানেজমেন্টকে উৎকন্ঠায় রেখেছিলেন চুকথার জমাতিয়া-রা। হাইয়ুং জমাতিয়া, মইনুদ্দিন, মনীশ দেববর্মা এবং লাল ভেংগা ডার্লং-রা সহজ সুযোগ হেলায় নষ্ট করে দলকে একসময় চাপে ফেলে দিয়েছিলেন। প্রথমার্ধ গোলশূণ্য থাকার পর ম্যাচের ৮৬ মিনিটে সফলতা পায় ত্রিপুরা। রজনীকান্ত ত্রিপুরার থ্রু চিড়ে ত্রিপুরার হযে জয়সূচক গোলটি করেন সঞ্জীব শীল। এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও ম্যাচ শেষ হওয়ার ২ মিনিট আগে আরও ব্যবধান বাড়াতে পারতো ত্রিপুরা। কিন্তু দিনের সবথেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন লাল ভেংগা ডার্লং। খেলা শেষে জয় পেয়ে খুশী ত্রিপুরা দলের সহকারি কোচ আবু তাহের কোলাপুর থেকে টেলিফোনে বলেন, “জয় পেলেও বেশ কযেকটি সুযোগ নষ্ট করে একসময় চাপে ফেলে দিয়েছিলো দলকে ছেলেরা। পরের ম্যাচে যাতে এমন না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে”। ১৫ অক্টোবর ত্রিপুরার দ্বিতীয় প্রতিপক্ষ আন্দামান ও নিকোবর। এই আন্দামান-নিকোবর কিন্তু আজ প্রথম ম্যাচে ০-৮ গোলে মহারাষ্ট্রের কাছে হেরে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। গ্রুপের অপর ম্যাচ তেলেঙ্গানা ও লাক্ষাদ্বীপের খেলাটি গোলশূন্য ড্র-তে নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রসঙ্গত: একসময় আসরে দল পাঠানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলো রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা। প্রথমে তৃতীয় সারির ফুটবলারদের নিয়ে গঠন করা হয়েছিলো ত্রিপুরা দল। কিন্তু যাদের বাছাই করা হয়েছিলো তাদের মধ্যে বেশীরভাগই ছিলো শিবিরে গড়হাজির। পরে বাধ্য হয়ে গড়া হয় নতুন দল। এবং শেষ সময়ে বিমানে কোলাপুরে পাঠানো হয়েছিলো ফুটবলারদের।

