নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম,১ অক্টোবর : নির্বাচন আসলে সাধারণ মানুষের অন্যতম চাহিদা গুলোর মধ্যে একটি থাকে রাস্তাঘাটের সংস্কার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জন প্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন নির্বাচনে জয়ী হয়ে গ্ৰামের রাস্তাগুলো সংস্কার করে জনসাধারণের দুর্দশা লাঘব করবেন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলেই দেখা যায় অনীহা। প্রসঙ্গত, বিশালগড় থেকে গোলাঘাটি পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পরিনত। রীতিমতো নরক যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে এই সড়কে যাতায়াতকারী নিত্য যাত্রী থেকে শুরু করে পথচারীদের। হেলদোল নেই প্রশাসনের। এই নয় কিলোমিটার রাস্তা খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। এই সড়কে মূলত ছোট গাড়ি চলাচল করে। একসময় প্রায় দশটি বাস গাড়ি চলাচল করতো, ছিল অসংখ্য কমান্ডার জিপ। আজ বাস গাড়িগুলো উধাও। অটো রিক্সাই এরমাত্র ভরসা। রীতিমতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্কুল ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নিত্য যাত্রীদের। জল কাঁদায় একাকার গোটা রাস্তা। বিশালগড় মহকুমার সঙ্গে জম্পুইজলা মহকুমার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সড়ক এটি। গোলাঘাটি থেকে জম্পুইজলা পর্যন্ত রাস্তা নতুন করে তৈরি হয়েছে। কিন্তু গোলাঘাটি থেকে বিশালগড় পর্যন্ত রাস্তার কোন কাজ হয়নি দীর্ঘদিন ধরে। শুধু জোড়াতালি দিয়ে মাঝেমধ্যে খানাখন্দ ভরাট করা হচ্ছে। এতে স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হচ্ছে না। গোলাঘাটিতে শাসক দলের বিধায়ক নেই। বিরোধী তিপ্রা মথার বিধায়ক কুম্ভ নিদ্রায়। এছাড়া শাসক দলের নেতাকর্মীরা এ বিষয়ে কোন সদর্থক ভূমিকা নিচ্ছে না। এতে জনমনে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই সড়কের চন্দ্রনগর, বাইদ্যাদিঘী, কসবা, সিপাহীজলা প্রভৃতি এলাকায় বিপদজনক খানাখন্দ রয়েছে। চলতি বর্ষায় জল কাঁদায় অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করছে সাধারণ মানুষ।
সিপাহীজলা জেলার অধিকাংশ গ্রামীণ রাস্তার অবস্থা বেহাল । এছাড়া কমলাসাগর বিধানসভার মধুপুর থেকে কোনাবনের রাস্তা আরো বেহাল। দুর্ভোগের অন্ত নেই নিত্য যাত্রীদের। অফিস যাত্রীরা রোজ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ধূমায়িত হচ্ছে । দুর্গা পূজা আসন্ন। উৎসবের মরশুমে নাগরিকদের নরক যন্ত্রণা থেকে রেহাই দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুক প্রশাসন।আসন্ন দুর্গোৎসব সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে উপভোগ করতে পারে।যাতে কাউকে রাস্তার বেহাল দশার কারনে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে না হয়।তাই জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষের দাবী গ্ৰামীণ রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার করে তাদের নিত্যদিনের দুর্দশা লাঘব করা হউক।