মহিলা ফুটবল:‌‌ সঙ্গিতার জোড়া গোলজয় দিয়ে সুপারলিগ শুরু জম্পুইজলারও

জম্পুইজলা-‌২ ফুলো ঝানু-‌১
(‌সঙ্গিতা-‌২) (দিপালী‌)‌

ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩১ জুলাই।।
দুরন্ত ম্যাচ। লড়াই শেষ মিনিট পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় পেয়ে খেতাবের দৌড়ে ত্রিপুরা স্পোর্টস স্কুলের সঙ্গে শীর্ষ স্থানে রয়েছে বুদ্ধ দেববর্মা-‌র জম্পুইজলা প্লে সেন্টার। ‌রাজ্য ফুটবল সংস্থা আয়োজিত বৈকুন্ঠ নাথ স্মৃতি মহিলা ফুটবলে। সোমবার সুপার লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে জম্পুইজলা প্লে সেন্টার ২-‌১ গোলে পরাজিত করে সুজিত ঘোষের ফুলো ঝানো দলকে। দুইদলের ফুটবলারই একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করে একসময় একসময় দলীয় কর্তাদের স্নায়ুর চাপ বাড়িযে দিয়েছিলো। নিজেদের রক্ষণভাগ সামলে শুরু থেকেই কাউন্টার অ্যাটাকের উপর নির্ভর করে খেলতে থাকে দুদলের ফুটবলাররা। ফলে প্রথমার্ধে আক্রমণের তেমন তেজীভাব লক্ষ্য করা যায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই সঙ্গিতা রায়কে কিছুটা উপরে ব্যবহার করতেই সাফল্য ধরা দেয় জম্পুইজলাকে। মূলত:‌ কোচ বুদ্ধ দেববর্মা-‌র ওই মোক্ষম চালেই শেষ পর্যন্ত বাজিমাৎ করে জম্পুইজলা। প্রথমার্ধ গোলশূণ্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সঙ্গিতা রায়ের গোলে এগিয়ে যায় জম্পুইজলা প্লে সেন্টার। গোল হজম করতেই সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেন ফুলো ঝানো দলের ফুটবলাররা। দলকে আক্রমণে নেতৃত্ব দেন দিপালী হালাম। ক্রমাগত আক্রমণ করলেও জম্পুইজলার রক্ষণভাগে চিড় ধরাতে পারেনি সুজিত ঘোষের মেয়েরা। ৬৪ মিনিটে দলের এবং নিজের দ্বিতীয় গোল করে জম্পুইজলার জয় নিশ্চিত করে দেন সঙ্গিতা রায়। দুই গোল হজম করার পরও মরিয়া হযে লড়তে থাকেন ফুলো ঝানো দলের ফুটবলাররা। যা প্রশংসার দাবি রাখেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১ মিনিট আগে ব্যবধান কমান দিপালী হালাম। তবে বেশ কয়েকটি সুযোগ যদি দিপালী-‌রা হাতছাড়া না করতো তাহলে ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো। রেফারি তাপস দেবনাথ হলুদ কার্ড দেখান বিজয়ী দলের কোচ বুদ্ধ দেববর্মাকে। ম্যাচের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন বিজয়ী দলের সঙ্গিতা রায়।