চন্ডীপুরের শ্রীরামপুরে বিজেপির যোগদান সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩০ জুলাই৷৷ ভারতীয় জনতা পার্টি চন্ডীপুর মন্ডল সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে শ্রীরামপুর এলাকায় অবস্থিত স্বামী বিবেকানন্দ হলঘরে এক যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ এই যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন ৫২-চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের সমাজ কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়৷ যোগদান সভায় মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ৫২-চন্ডীপুর বিধানসভার সংখ্যালঘু মোর্চার মন্ডল সভাপতি জমির আলী, বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য বিমল কর, বিজেপি চন্ডীপুর মন্ডলের সহ সভাপতি হিমাংশু দাশ বিজেপি নেতা সিদ্ধার্থ দও সহ আরও অন্যান্য নেতৃত্বরা৷ যোগদান সভায় ১৩১পরিবারের ৫৫৬জন সংখ্যালঘু ভোটার কংগ্রেস এবং সি.পি.আই.এম দল ত্যাগ করে বিজেপি দলে সামিল হোন৷ নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তোলে দলে বরন করে নেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী টিংকু রায়৷ যোগদান সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখতে গিয়ে ৫২-চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যালঘু মোর্চার মন্ডল সভাপতি জমির আলী বলেন যে, মুলত ৫২-চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে বিভিন্ন এলাকার সংখ্যালঘু ভোটারদের একত্রিত করে এই যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ সংখ্যালঘু মোর্চার মন্ডল সভাপতি জমির আলী আরও জানান যে, ৫২-চন্ডীপুর সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে চলতি বছরের বাইশ জুন গৌরনগর এলাকায় এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির হয়েছিল৷ সেই রক্তদান শিবিরেও মন্ত্রী টিংকু রায় সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন৷ সেই রক্তদান শিবিরে একান্ন জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছিলেন এবং এই একান্ন জনের মধ্যে পনেরো জন মহিলাও ছিলেন৷ ৫২-চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ধারাবাহিক ভাবে সংখ্যালঘু মোর্চার পক্ষ থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্ম সহ দলীয় বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ করা হচ্ছে বলে মন্ডল সভাপতি জমির আলী জানান৷ যোগদান সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী টিংকু রায় নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন যে, ৫২-চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সংখ্যালঘু মোর্চা ধারাবাহিক ভাবে যেসব সামাজিক কাজকর্ম করছে তা গোটা ত্রিপুরা রাজ্যেই বিরল৷ তাছাড়া নবাগতদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন যে, যেভাবে ৫২-চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোটাররা বিজেপি দলে সামিল হচ্ছে তাতে আসন্ন লোকসভা ভোটে কৈলাসহর এবং চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২৩সালের বিধানসভা ভোটের ভোট থেকে পাঁচ থেকে সাত হাজার বেশি ভোট বিজেপি দলের প্রার্থীকে দিয়ে জয়ের ব্যবধান গতবারের চাইতে বেশি করে লোকসভায় পাঠাতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত আরও বেশি শক্ত করতে হবে৷