কলকাতা, ২৯ জুলাই (হি. স.) : মহরমের তাজিয়া মিছিলের জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ মালদা জেলার একটি দুর্গা মন্দিরকে চারদিক থেকে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। অভিযোগ, যাতে করে হিন্দু সম্প্রদায় এই মন্দিরে পুজো দিতে না পারে। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপির প্রশ্ন, এটাই কি আপনার ধর্মনিরপেক্ষতা?
বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী টুইটারে মন্দিরের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “মালদা জেলার কালিয়াচক থেকে এই মর্মান্তিক দৃশ্যটি উঠে এসেছে। মহরমের প্রাক্কালে এখানে একটি দুর্গা মন্দির পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। আমি নিশ্চিত যে ওই এলাকার কোনও মহরম আয়োজক কমিটি এমন কিছু দাবি করবেন না, যা সনাতনী ধর্মে আঘাত করবে। এটি সম্পূর্ণরূপে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের “অতি সক্রিয়তা”।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিধানে “ধর্মনিরপেক্ষতা” “ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির” সমার্থক। এই কারণেই তার প্রশাসন ধর্মীয় উৎসবের সময় “হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার”-এ ভোগে এবং তিনি সাধারণত এমন কিছু করে যা সনাতনীদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনৈতিক লাভের জন্য দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ তৈরি করছেন। তিনি দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। আমি মুখ্য সচিবকে এই বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করতে এবং দুর্গা মন্দিরের প্রবেশদ্বার থেকে ব্যারিকেড অপসারণের অনুরোধ করতে চাই।”
ভারতীয় জনতা পার্টির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য টুইটারে লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ মহরমের প্রাক্কালে কালিয়াচকের দুর্গা মন্দিরের প্রবেশপথ আটকে দিয়েছেন। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মনিরপেক্ষতার ব্র্যান্ড। যা হিন্দুদের লাঞ্ছিত এবং অপমানিত তার প্রশাসনের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তাদের অদক্ষতাও প্রমাণিত হয়। মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সামাজিক সংহতিকে নষ্ট করে দেয়। তাদের রাজনীতি এটির উপরই বিকশিত হয়।