কলকাতা, ২১ জুলাই (হি. স.) : শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইট দিয়ে শুরু হয় স্মরণ বা শ্রদ্ধা। সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে স্মরণসভার অবয়ব।
২১ জুলাইয়ের সমাবেশের সকালে টুইট করে বার্তা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘‘শহিদ দিবস আমাদের হৃদয়ে অগণিত আবেগ জাগিয়ে তোলে। আজ বাংলার সেই ১৩ জন বীর শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়, যাঁরা অত্যাচারী শক্তির সঙ্গে লড়াই করে এবং গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। এঁদের থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে আমি ন্যায়সঙ্গত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।’’
সভা শুরুর আগে মঞ্চের উপরে উঠে গান গাইতে শুরু করেন যুব তৃণমূল কর্মীরা। মঞ্চের সামনে বসে হাজার হাজার শ্রোতা। সমাবেশের মঞ্চে ওঠেন তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা। মঞ্চে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, শান্তনু সেন, মালা রায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ ছাড়াও ছিলেন চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন। সম্প্রতি যাঁর বিভিন্ন মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি করেছে। মঞ্চে ছিলেন শিল্পী তথা রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনও।
সমাবেশের সভাপতিত্বের দায়িত্ব নিয়ে মঞ্চে কথা বলতে ওঠেন তৃণমূলের সহ-সভাপতি সুব্রত বক্সী। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের স্মৃতি উস্কে দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সচিত্র ভোটার কার্ডের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমে শহিদ হয়েছিলেন আমাদের কর্মীরা। তাঁদের বলিদান ব্যর্থ হয়নি। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানুষ তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসিয়েছেন।’’
সুব্রতের পর মঞ্চে বক্তৃতা করতে ওঠেন আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক। এর পর মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা মঞ্চে উঠে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে আদিবাসীদের একত্রিত হওয়ার ডাক দেন।