আগরতলা, ২০ জুলাই (হি.স.) : ২০২২-২৩ অর্থবছরে আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে দুঃস্থ ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত ৬৫ জন রোগীকে চিকিৎসার জন্য দপ্তরের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। আজ সচিবালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন অন্যান্য পশ্চাদপদ শ্রেণী কল্যাণ(ওবিসি) মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা। তাঁর দাবি, এর জন্য ব্যয় হয়েছে ২ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১৬ টাকা।
এদিন তিনি বলেন, ওবিসি কল্যাণ দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম হল প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণীতে পাঠরত ওবিসিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের প্রি-মেট্রিক স্কলারশীপ প্রদান করা।
সাথে তিনি যোগ করেন, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ২৫ হাজার ৬৯৬টি আবেদন ন্যাশনাল স্কলারশীপ পোর্টালে জমা পড়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ হাজার ৯৫০ জন ছাত্রছাত্রীদের জন্য ৫৯ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার স্কলারশীপ মঞ্জুর করা হয়েছে। পাশাপাশি একাদশ শ্রেণী থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়স্তরে পাঠারত ওবিসিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের পোষ্ট মেট্রিক স্কলারশীপের জন্য ন্যাশনাল স্কলারশীপ পোর্টালে আবেদন জমা পড়েছে ২০ হাজার ৭৩টি। এরমধ্যে স্কলারশীপ হিসাবে ৭ হাজার ৫৪০ জন ছাত্রছাত্রীকে ২১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
এদিন তিনি জানিয়েছেন, ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিক এবং দ্বাদশ শ্রেণী পরীক্ষায় ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী মেধা তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করে তাদের ড. বি আর আম্বেদকর মেমোরিয়াল গোল্ড মডেল সম্মান প্রদান করা হয়েছে।
মন্ত্রীর কথায়, তাঁদের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসাবে নগদ ২৫ হাজার টাকাসহ স্বর্ণপদক এবং শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ওবিসিভুক্ত যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী ৬০ শতাংশেরও বেশী নম্বর পেয়েছে তাঁদের প্রত্যেককে ১৫০০ টাকা করে ড. বি আর আম্বেদকর মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ২০২০-২১ সাল থেকে ত্রিপুরা সরকার আর্থিকভাবে দুর্বল ওবিসি সম্প্রদায়ের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এদিন তিনি আরও জানিয়েছেন, আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুঃস্থ ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য দপ্তরের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। ২০২২-২৩ সালে ৬৫ জন রোগীকে ওবিসি কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। এর জন্য ব্যয় হয়েছে ২ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১৬ টাকা।