কলকাতা, ১৪ জুন (হি. স.) : “প্রধানমন্ত্রীর কাছে পশ্চিমবঙ্গের রেট চার্টের খবর নিশ্চয়ই আছে; তদন্ত চলছে। সবাই জেনে গেছে! সেটাই উনি বলেছেন। এটা দুর্ভাগ্যের।”
তৃণমূলের নাম না করে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন স্থানে আর্থিক দুর্নীতির যে অভিযোগ তুলেছেন নরেন্দ্র মোদী, সেই বক্তব্যকে এভাবেই সমর্থন করলেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
বুধবার ইকোপার্ক থেকে প্রল্নের উত্তরে তিনি সাংবাদিকদের বললেন, “পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি পরিবার হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছে রেট চার্ট কি? স্কুলের চাকরির জন্য রেট বাঁধা আছে। কোঅপারেটিভ চাকরির জন্য রেট বাঁধা আছে। পরিবহন বলুন পুলিশ বলুন সব জায়গায় রেট বাঁধা আছে। এর বাইরে চাকরি হয় না। তাই মানুষ চোখ বন্ধ করে টাকা দিয়ে দিয়েছে।
এর আগে এসএসসি চেয়ারম্যান বলেছেন ৩৮ হাজার লোকের কাছ থেকে স্কুলের চাকরির জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। কুড়ি হাজার লোকও চাকরি পায় নি। ১৮ হাজার লোক চাকরি পেয়েছে। তো বুঝতেই পারছেন যিনি সরকারি চাকরির নিয়ন্তা তিনি একথা বলছেন।”
প্রসঙ্গত মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের চাকরি দুর্নীতি নিয়ে মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের ৭৭ হাজার কর্মপ্রার্থীর হাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে নিয়োগ পত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের চাকরির পরীক্ষায় নির্বাচিত হয়েছেন এই ৭৭ হাজার কর্মপ্রার্থী। সেই অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার নিয়ে সরব হন প্রধানমন্ত্রী। তবে মোদী সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন বাংলা নিয়েই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সংবাদ মাধ্যম থেকে জেনেছি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের তদন্তে নেমে জেনেছে বাংলায় পদ অনুযায়ী টাকার অঙ্ক স্থির করা আছে।’ প্রধানমন্ত্রী শিক্ষক এবং পুরসভার কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির কথা আলাদা করে উল্লেখ করেন।