শিলচর (অসম), ৭ মে (হি.স.) : কাছাড় জেলার বড়খলা থানার অন্তর্গত ভাঙ্গারপাড় পুলিশ ফাঁড়ির অধীন সোনাপুর প্রথম খণ্ড এলাকায় অনুমোদিত গ্রাম রক্ষী বাহিনী কমিটি না থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপ সহ ঘন ঘন চুরির ঘটনা বেড়েছে। চুরি সহ অসামাজিক কার্যকলাপ রোধে অনতিবিলম্বে গ্রাম রক্ষী বাহিনী কমিটি গঠন করতে পুলিশ সুপারের কাছে দাবি সংবলিত স্মারকপত্র দিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে ওই এলাকার ভাঙ্গারপাড় প্রথম খণ্ডের জনৈক সুবোধ চন্দের বাড়িতে পর পর দুবার চোরের দল প্রবেশ করে স্বর্ণালঙ্কার সহ নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। যার ফলে সুবোধ চন্দ পরিবারের প্রাণ রক্ষার্থে ওই এলাকা ছেড়ে চলে যান। এদিকে তাঁর পাশের বাড়ির বাসিন্দা নিখিল চন্দের ঘরেও চোরের দল হানা দিয়ে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত চোরেদের কোনও সন্ধান বের করতে পারেনি পুলিশ। সুবোধ চন্দও এখন বাড়িছাড়া।
দিনের পর দিন চোরের দল আস্কারা পেয়ে এখন ভাঙ্গারপাড় থেকে বাবুরবাজার সড়কে রাতে দড়ি টাঙিয়ে লুটপাটের ঘটনা সংগঠিত করছে। প্রতি রাতে ওই সড়ক দিয়ে অপরিচিত লোকের আনাগোনা থাকে, জানিয়েছেন একাংশ বাসিন্দা। এমতাবস্থায় সোনাপুর প্রথম খণ্ড এলাকায় গ্রাম রক্ষী বাহিনী গঠন একান্ত আবশ্যক বলে জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকগণ। তাঁরা জানান, গত বছর ২০২২ সালের জুন থেকে ওই এলাকায় নতুন কোন কমিটি গঠন করা হয়নি।
গত ২ মে সোনাপুর প্রথম খণ্ড এলাকায় গ্রাম রক্ষী বাহিনী কমিটি গঠন করার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সমাজসেবী তথা সাংবাদিক বিজয় দাস, সোনাপুর পল্লি উন্নয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিকাশ পাল, পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্জয় দাস, সুজয় দাস প্রমুখ বড়খলা থানার গ্রাম রক্ষী বাহিনীর সংগঠকের মাধ্যমে কাছাড় জেলার পুলিশ সুপার নোমাল মাহাতোর কাছে একটি আবেদনপত্র তুলে দিয়েছিলেন। চক্র সংগঠক ঘটনার গুরুত্ব উপলব্ধি করে অতি শীঘ্রই গ্রাম রক্ষী বাহিনী কমিটি গঠন করার আশ্বাস প্রদান করেছেন।

