কাল থেকে এমবিবি বিমানবন্দরে পুণরায় চালু হবে প্রিপেইড অটো পরিষেবা, ত্রিপুরার সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সকলকে পরিবহণ মন্ত্রীর কড়া বার্তা

আগরতলা, ২৪ এপ্রিল (হি. স.) : মহারাজা বীর বিক্রম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে পুণরায় চালু হচ্ছে প্রিপেইড অটো পরিষেবা। আজ বিমানবন্দরে বৈঠকের পর এ-বিষয়ে নিশ্চিয়তা দিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। তিনি আজ বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং অটো চালকদের প্রতিনিধিদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাতে তিনি কড়া বার্তা দিয়েছেন, ত্রিপুরার সুনাম নষ্ট হোক এমন কোন কাজ বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময়ে আগরতলায় মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরে আসা রাজ্যের এবং বহিঃরাজের যাত্রীদের কতিপয় অটোচালকদের হাতে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। ওই ঘটনা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুর্ভাগ্যপূর্ণ বলে মনে করেন পরিবহণ মন্ত্রী। এমনকি কতিপয় অটোচালকদের দৌরাত্ম্যের কারণে বহিঃরাজ্য থেকে ত্রিপুরায় ভ্রমণে আসা পর্যটকরা বিভিন্ন সময় শারীরিকভাবেও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন! যা কোনভাবেই কাঙ্খিত নয়, উষ্মা প্রকাশ করেছেন তিনি।
তাই এই সমস্যা থেকে উত্তরণে এবং এর চিরস্থায়ী সমাধানের জন্য আজ আগরতলা বিমানবন্দরের পুরনো যাত্রী টার্মিনাল ভবনের কনফারেন্স হল ঘরে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে এক উচ্চস্তরীয় বৈঠকে পৌরহিত্য করেন পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। ওই বৈঠকে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও অটো চালকদের প্রতিনিধিদের ত্রিপুরার সুনাম নষ্ট না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এদিনের বৈঠকে অটো চালকদের প্রতিনিধিদের তরফ থেকে উত্থাপিত সমস্যাগুলি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং সেগুলোর সমাধানে তাদেরকে আশ্বাস প্রদান করেছেন পরিবহণ মন্ত্রী। আজকের বৈঠকে প্রশাসনের তরফ থেকে আগরতলা বিমানবন্দরে যাত্রী পরিবহনের সাথে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর বার্তা দিয়ে পরিবহণ মন্ত্রী বলেছেন, ত্রিপুরার সুনাম কোনোভাবেই ক্ষুন্ন হতে দেওয়া হবে না। নিকট ভবিষ্যতে যদি আবারো কোন ধরনের যাত্রীকে বিমানবন্দরে হেনস্থার অভিযোগ উঠে তাহলে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নেবে।
এদিনের বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের পরিবহন ও পর্যটন দপ্তরের সচিব উত্তম কুমার চাকমা, পরিবহন দপ্তরের কমিশনার সুব্রত চৌধুরী, আগরতলা বিমানবন্দরের অধিকর্তা কৈলাস চন্দ্র মীণা, ত্রিপুরা পুলিশের আইজি (ক্রাইম ও ইন্টিলিজেন্স) এল. ডার্লং, পর্যটন দপ্তরের অধিকর্তা তপন কুমার দাস, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার সাথে সম্পৃক্ত সিআইএসএফের মেজর ধর্মেন্দ্র সাঁই সহ  অন্যান্য আধিকারিকেরা।