রঞ্জি : গুজরাটকে পিছিয়ে ত্রিপুরার ৩, ১০ উইকেট পেয়ে মণিশঙ্কর সেরা

গুজরাট-‌২৭১ &‌ ২৩৩/‌৮

ত্রিপুরা-‌ ২৯৩ & ১১৬/‌৩

ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ ডিসেম্বর।। ঘন কুয়াশা-‌ই জয় কেড়ে নিলো ত্রিপুরার। রণজি ট্রফিতে ত্রিপুরা-‌ গুজরাটের বিরুদ্ধে ড্র করে। প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে ৩ পয়েন্ট পায় ত্রিপুরা। এম বি বি স্টেডিযামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে চতুর্থ দিনে ত্রিপুরার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিলো ২১২ রানের। দিনের শেষে ত্রিপুরার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১৬ রান। ঘন কুয়াশার জন্য শেষ দিনের খেলা শুরু হয় মধ্যান্নভোজের পর। এখানেই শেষ হয়ে যায় জয়-‌পরাজয়ের রাস্তা। প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে মরশুমের প্রথম ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পায় ত্রিপুরা। সফররত গুজরাট পায় ১ পয়েন্ট। তৃতীয় দিন শেষে ম্যাচের চিত্রটা অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। অমিমাংশিত থাকছে ম্যাচ। তবে কিছুটা হলেও জয়ের উকি মারছিলো ত্রিপুরার দিকে। কারন প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থাকা গুজরাট চাইবে সরাসরি জয়ের রাস্তায় যেতে। কিন্তু সকালের ঘন কুয়াশা সব আশায় জল ঢেলে দেন। ৬ উইকেটে ২০৪ রান নিয়ে খেলতে নেমে এদিন আরও ২৯ রান যোগ করার ফঁাকে ২ উইকেট হারানোর পর ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষনা করে গুজরাট। গুজরাট ২৩৩ রান করে। দলের পক্ষে দলনায়ক পাঞ্জল ১২৫ বল খেলে ৯ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৮৫ রান করেন। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৫টি উইকেট দখল করেন স্পিডস্টার মণিশঙ্কর মুড়াসিং। জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে ত্রিপুরা ৬০.‌২ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান করে। অভিষেক ম্যাচে খেলতে নামা শ্রীদাম পাল প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও অর্ধশতরান করে দলের ব্যাটিং গভীরতা বাড়ান। দলের হয়ে ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শ্রীদাম ৮৭ বল খেলে ৯ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৫ রান করে অপরাজিত থেকে যান। এছাড়া দীপক ক্ষত্রী  ৪৬ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৭ রানে অপরাজিত থেকে যান। এছাড়া দলের পক্ষে বিক্রম কুমার দাস ৪২ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯ এবং বিশাল ঘোষ ২২ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারির সাহায্যে১২ রান করেন। গুজরাটের পক্ষে এ নাগায়োল্লা (‌২/‌৪৩‌)‌ সফল বোলার। ম্যাচে দুরন্ত বল করার সুবাদে সেরা ক্রিকেটারের সম্মান পান মণিশঙ্কর মুড়াসিং। ২০ ডিসেম্বর ত্রিপুরা দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বিদর্ভের বিরুদ্ধে, ওই রাজ্যে গিয়ে।