Sonamura :পানীয় জল ও রাস্তা সংস্কারের দাবীতে অবরোধ সোনামুড়ায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ অক্টোবর৷৷ পানীয় জল ও রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ধনিরামপুর এডিসি ভিলিজের জনজাতি মহিলাদের রাস্তা অবরোধ৷ রাজ্যের শাসক দল বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল গত চার বছরে  প্রতিশ্রুতি গুলি পূরণে  ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার! জনমনে প্রশ্ণ রাজ্যের দিকে দিকে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এত আন্দোলন কেন? গলা ফাটিয়ে শাসক দলীয় নেতা-মন্ত্রীরা রাজ্যে পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের কথা বললেও তা যে সম্পূর্ণ মিথ্যা আবারো একবার প্রমাণ হলো জনজাতিদের বক্সনগর সোনামুড়া জাতীয় সড়ক অবরোধের মাধ্যমে৷ একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, এ বছর সারা রাজ্যের মধ্যে বক্সনগর আর.ডি ব্লক মানুষের ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম স্থান অধিকার করেছে৷ এই সাফল্য যদি সত্যি হতো তাহলে বক্সনগর ব্লক অন্তর্গত ধনিরামপুর এডিসি ভিলিজের বিভিন্ন এলাকা দীর্ঘদিন যাবৎ পানীয় জলের সংকট কেন৷ পানীয় জলের এই সমস্যা এবং ধনিরামপুর এলাকার বিভিন্ন রাস্তাগুলি সংস্কারের দাবিতে শনিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ধনিরামপুর এলাকার জনজাতি মহিলারা সোনামুড়া- বক্সনগর টানা তিন ঘণ্টা জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন৷ অবরোধের দুদিকে শতাধিক গাড়ির যান চলাচল বন্ধ করে রাখে৷এতে পথচারী থেকে শুরু করে সরকারি কর্মচারী এবং বহু অসুস্থ রোগীরা পর্যন্ত আটকে পড়ে যায়৷ তিন ঘন্টার জন্য জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে৷এতে একসময় ক্ষুব্দ হয়ে পড়ে পথচারী সাধারণ মানুষ৷ এলাকার বুদ্ধিজীবী মহল থেকে আওয়াজ উঠেছে যে, মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত করে কোন অধিকার আদায় করা সম্পূর্ণ বেআইনি৷এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে সরকারের নজর দেওয়া একান্ত প্রয়োজন৷এই অবরোধ কালে জনজাতি মহিলারা বলেন, ধনিরামপুর, পাঁচনালিয়া এলাকায় দীর্ঘ একমাস যাবত পানীয় জল নেই৷ ছড়ার ও পুকুরের জল খেয়ে কোন মতে জীবন পরিচালনা করছি৷ রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই বেহাল৷এই বেহাল রাস্তা দিয়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা শিক্ষা অর্জনের জন্য সুকলে যেতে অসুবিধা হয়৷ আমাদের এই মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ না করিলে অবরোধ চলবে৷তিন ঘণ্টা অবরোধের পর ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সোনামুড়া থানার পুলিশ এবং বক্সনগর আর ডি ব্লকের আধিকারিক সান্তনু বিকাশ দাস ও বক্সনগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সঞ্জয় সরকার৷ সরকারের এই প্রতিনিধিরা আগামী ৭ দিনের মধ্যে সমস্ত সমস্যা সমাধান করার আশ্বাস দেন৷ অবরোধকারীরা বলেন,যদি সাত দিনের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন৷