Tripura:চাঁদার জুলুম, মাছলি বাজারে ব্যবসায়ীর মাথা ফাটাল ক্লাব কর্মকর্তারা, থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ সেপ্টেম্বর ৷৷ সরকার ও প্রশাসন দুর্গাপূজার চাঁদা নিয়ে কোন ধরনের জুলুম না করার জন্য ক্লাব এবং পূজা উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানালেও কাজের বিভিন্ন স্থানে চাঁদার জুলুম অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ৷ অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ আতঙ্কে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না৷ এদিকে ধলাই জেলার লংতরাইভ্যালি মহকুমায় প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে দুর্গাপূজার চাঁদার জুলুম শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ৷ পূজোর চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজির বিরুদ্ধে একশন মুডে লংতরাইভ্যালী মহকুমা শাসক অমর্ত্য বর্মন৷ চাহিদা মতো চাঁদা না দেওয়াতে শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় কড়া দাওয়াইয়ের ব্যবস্থা করলেন অভিযুক্ত ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে৷ ঘটনা লংতরাইভ্যালী মহকুমার মাছলি বাজারে৷ মহকুমা শাসকের এমন ভূমিকায় খুশি স্থানীয় ব্যাবসায়ী থেকে বহিরাগত ফেরী ব্যাবসায়ীরাও৷
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২০ সেপ্ঢেম্বর ছিল মাছলি সাপ্তাহিক বাজার ছিল৷ স্থানীয় ‘‘আমাদের ক্লাবের’’ সদস্যরা দূর্গা পূজোর চাঁদা তুলতে বের হয়৷ দয়ানিধি চক্রবর্তী নামে লেপ, তোষক বিক্রেতার কাছে নাকি বড় অংকের চাঁদা চাওয়া হয়৷ চাঁদার পরিমান নিয়ে ক্লাব সদস্যদের সাথে দয়ানিধি ও উনার ছেলে প্রীতম চক্রবর্তীর সামান্য বচসা  হয়৷ এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে তারা শারীরিকভাবে আক্রমণ করে ব্যায়সায়ীর উপর৷ এতে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে অঘাত লাগে ও দয়ানিধির মাথাও ফেটে যায় বলে অভিযোগ৷ সাথে সাথেই গুরুতর আহত অবস্থায় দয়ানিধিকে তার  ছেলে হাসপাতালে নিয়ে আসে৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর তারা সোজা মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করে৷ ঘটনা জানতে পেরে ও মেডিকেল রিপোর্টের সততা যাচাই করে তৎক্ষণাৎ  তদন্তক্রমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মনু থানাকে নির্দেশ দেন মহকুমা শাসক৷ থানা সূত্রের খবর হত্যার চেষ্টা, জোর করে টাকা আদায়, মালপত্র লুঠ সহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত করে মামলা নেওয়া হয়েছে৷ ২০ সেপ্ঢেম্বর রাত থেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা হলেও নিট ফল শূন্য৷ যদিও  ধরপাকড়ের খবর নেই৷ তবে সুত্রের খবর অনুযায়ী এখনও মনু থানা পুজো বন্ধ করেনি৷ খোদ রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজি হলে বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন৷  তারপরও অনেক জায়গায়ই জোর করে চাঁদা নেওয়ার খবর প্রত্যহই পাওয়া যাচ্ছে৷ লংতরাইভ্যালী  মহকুমা শাসক প্রতিবেদকে জানান  জাতি জনজাতির এই মিলন উৎসব দূর্গাপুজো যেন শান্তিপূর্ন ভাবে অতিবাহিত হয় সেজন্য প্রতিটি ক্লাবের সাথেই প্রশাসন সহযোগিতা করে চলেছে৷ তবে চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজি হলে কঠোর পদক্ষেপও নেওয়া হবে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *