আগরতলা, ২৮ আগস্ট (হি. স.) : দুইদিনের ত্রিপুরা সফরে এসেছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এমবিবি বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। আগরতলায় পৌছেই প্রথমে তিনি বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন কি বাত অনুষ্ঠান শুনেছেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি রাজ্য অতিথিশালার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
এদিন তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডা: মানিক সাহা, উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা, বিজেপি প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, পূর্ব ত্রিপুরার সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা, ত্রিপুরার প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর, ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ফনীন্দ্র নাথ শর্মা, বিধায়ক ডা: দিলীপ দাস, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক টিংকু রায়, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদিকা পাপিয়া দত্ত, এবং প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক কিশোর বর্মণ।
বিমানবন্দরের বাইরে তাঁকে জনজাতি, মণিপুরী এবং বাঙালি চিরাচরিত সংস্কৃতি মেনে নাচে-গানে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। বিমান বন্দর থেকে রাজ্য অতিথিশালা যাওয়ার পথে মোট ৬ টি স্থানে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। রাস্তার দুই ধারে প্রচুর কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে এবং ফুল ছিটিয়ে ও উলু এবং শঙ্খ ধ্বনিতে তাঁকে ত্রিপুরায় বরণ করে নেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরা সফরে সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার স্ত্রী মল্লিকা ব্যানার্জী নাড্ডাও সাথে এসেছেন। আজ দুপুর দুইটা থেকে শ্রীনাড্ডা সাংগঠনিক বৈঠক শুরু করবেন। রাজ্য অতিথিশালায় এনিয়ে সমস্ত রকম আয়োজন করা হয়েছে।জানা গেছে, প্রথমে তিনি বিজেপির প্রদেশ কমিটি এবং বিভিন্ন মোর্চার সভাপতিদের সাথে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি জনজাতি বিধায়ক এবং জেলা পরিষদের সদস্যদের সাথে আলোচনা সারবেন। সন্ধ্যা ৬ টা থেকে বিজেপির মন্ত্রী এবং বিধায়কদের সাথে তিনি বৈঠক করবেন। ওই বৈঠক শেষে শরিক দল আইপিএফটির বিধায়কদের সাথে কথা বলবেন। রাত সোয়া ৯ টা থেকে তিনি বিজেপির প্রদেশ কোর কমিটির সদস্যদের সাথে আলোচনা শুরু করবেন। আগামী ২৯ আগস্ট তিনি খুমুলুঙয়ে জনসভায় অংশ নেবেন।