গ্রামীণ অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করে তুলতে স্বসহায়ক দলগুলিকে স্বনির্ভর করে তুলতে হবে : কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক

বিলোনিয়া, ২২ আগস্ট : গ্রামীণ অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করে তুলতে স্বসহায়ক দলগুলিকে স্বনির্ভর করে তোলার উপর জোর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক।

বিলোনীয়া সার্কিট হাউসের সভাগৃহে আজ কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ণ প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের সভাপতিত্বে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে জেলা সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণ কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, গ্রাম সড়ক যোজনা, ত্রিপুরা গ্রামীণ জীবিকা মিশন, স্বচ্ছ ভারত মিশন, জলজীবন মিশন, পূর্ত, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বন, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা, গ্রামোন্নয়ন, মৎস্য, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর, কৃষি, উদ্যান, জলসম্পদ প্রভৃতি দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কাজের পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় সামাজিক ন্যায় প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন প্রকল্প ও উন্নয়নমূলক কাজের সুফল কিভাবে জনগণের কাছে বেশি করে পৌঁছে দেওয়া যায় সেবিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সময়ের কাজ সময়ে শেষ করার উপর বিশেষ জোর দেন। সভায় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে মজবুত করতে স্বসহায়ক দলগুলির বড় ভূমিকা রয়েছে। জেলার স্বসহায়ক দলগুলিকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে। স্বসহায়ক দলগুলি স্বনির্ভর হলে গ্রামীণ পরিবারগুলিও আত্মনির্ভর হয়ে উঠবে।

জেলায় সেসব উন্নয়নমূলক কর্মসূচি রূপায়ণের কাজ চলছে সেগুলি দ্রুত সম্পন্ন করার উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। কেন্দ্ৰীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর জেলার সমস্ত ব্লক এলাকায় একযোগে নির্বাচিত দিব্যাঙ্গজনদের মধ্যে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হবে। ত্রিপুরার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য তিনি বিশেষত মৎস্য, কৃষি ও প্রাণীসম্পদ বিকাশের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জেলার অমৃত সরোবর প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয় সভায়।সভায় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন কর্মসূচি রূপায়নে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি আধিকারিকদের মধ্যে সমন্বয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রকল্পের সুযোগ প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি বিভীষণ চন্দ্র দাস, জেলাশাসক ও সমাহর্তা সাজু ওয়াহিদ এ, কেন্দ্রীয় সচিব ড. মিলিন্দ রামটেকে, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *