Narendra Modi: স্মৃতি অনুঘটক প্রতিনিধির মতো, যা জীবন ও দক্ষতাকে উন্নত করতে সাহায্য করবে : প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লি, ১ এপ্রিল (হি.স.): ‘পরীক্ষা পেয়ে চর্চা’-র পঞ্চম সংস্করণে পড়ুয়া, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মিলিত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বললেন, “আমি চাই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় আতঙ্কের পরিবেশ থেকে দূরে থাকুক। বন্ধুদের অনুকরণ করার দরকার নেই, আপনি যা করেন তা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে থাকুন এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারা সবাই উৎসবের মেজাজে পরীক্ষা দিতে সক্ষম হবেন।” অভিভাবকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “নিজেদের স্বপ্ন সন্তানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয় অভিভাবকদের। নিজেদের ভবিষ্যতের বিষয়ে আপনাদের সন্তানদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া উচিত।” শনিবার দিল্লির তালকাটোরা স্টেডিয়ামে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’-র পঞ্চম সংস্করণে অংশ নেওয়ার আগে সমগ্র দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা তৈরি করা বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী নিরীক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে ‘পরীক্ষা পেয়ে চর্চা’-য় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এই প্রোগ্রামটি আমার কাছে অনেক বিশেষ, কারণ আমি দীর্ঘ ব্যবধানের পরে আপনাদের সকলের সঙ্গে দেখা করেছি। সময়ের অভাবের কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এখানে নাও দেওয়া হতে পারে, তবে নমো অ্যাপে ভিডিও ও অডিও বার্তা এবং লিখিতভাবে আমি উত্তর দেব।” প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এখানে এমন কেউ বসে নেই যে প্রথমবার পরীক্ষা দেবে। পরীক্ষা আমাদের জীবনের একটি ধাপ।” মোদী বলেছেন, স্মৃতি একটি অনুঘটক এজেন্টের মতো, যা জীবন ও দক্ষতাকে উন্নত করতে সাহায্য করবে।

ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আমি চাই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় আতঙ্কের পরিবেশ থেকে দূরে থাকুক। বন্ধুদের অনুকরণ করার দরকার নেই, আপনি যা করেন তা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে থাকুন এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারা সবাই উৎসবের মেজাজে পরীক্ষা দিতে সক্ষম হবেন।” ‘পরীক্ষা পেয়ে চর্চায়’ পড়ুয়া, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “অফলাইনে যা হয়ে থাকে, অনলাইনেও তাই হয়। অর্থাৎ মাধ্যম সমস্যা নয়। মাধ্যম নির্বিশেষে, যদি আমাদের মন বিষয়টির মধ্যে ডুবে থাকে, তবে জিনিসগুলিকে আঁকড়ে ধরায় কোনও পার্থক্য হবে না। অনলাইনে অধ্যয়ন করার সময় পড়ুয়াদের আত্মনিরীক্ষণ করা উচিত, তাঁরা আদৌ অধ্যয়ন করে না-কি সোশ্যাল মিডিয়াতে রিল দেখে সময় কাটায়।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, “অনলাইন শিক্ষা জ্ঞান অর্জনের নীতির উপর ভিত্তি করে, যদিও অফলাইন শিক্ষা সেই জ্ঞানকে টিকিয়ে রাখা এবং ব্যবহারিকভাবে তা আরও প্রয়োগ করার বিষয়ে।”

জাতীয় শিক্ষানীতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “জাতীয় শিক্ষা নীতির নীতিমালার খসড়া তৈরিতে অনেকেই নিযুক্ত ছিলেন। আমরা গত ৬-৭ বছর ধরে এটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছিলাম। আমরা আধুনিক বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে দূর-দূরান্তের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরামর্শ নিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “দক্ষতা বিশ্বজুড়ে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি ক্ষতিকারক নয়, এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা উচিত। এখন শিক্ষার্থীরা ৩ডি প্রিন্টার তৈরি করছে এবং বৈদিক গণিতের জন্য অ্যাপ চালাচ্ছে। তাঁরা দক্ষতার সঙ্গে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।”

মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের এমনটা মনে হওয়া উচিত নয় যে, তাঁরা ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য শিক্ষক এবং অভিভাবকদের চাপের মধ্যে রয়েছে। নিজেদের স্বপ্ন সন্তানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয় অভিভাবকদের। নিজেদের ভবিষ্যতের বিষয়ে তাঁদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া উচিত। বাবা-মায়েরা কখনও কখনও তাঁদের সন্তানদের শক্তি এবং আগ্রহগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হন। আমাদের বোঝা উচিত যে প্রতিটি শিশুই অসাধারণ কিছু দিয়ে আশীর্বাদপ্রাপ্ত হয়, যা বাবা-মা এবং শিক্ষকরা অনেক সময় আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হন।” প্রসঙ্গত,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *