Brisketu joined Tipra : তিপ্রা মথায় যোগ দিলেন বৃষকেতু

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ জুলাই৷৷ গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ডের দাবী যদি রাজ্য সরকার মেনে না নেয় তাহলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে উপজাতি সংরক্ষিত কুড়িটি আসনের পরিবর্তে ষাটটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তিপ্রা মথা৷ বৃহস্পতিবার হেজামারায় একটি যোগদান সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিপ্রা মথা চেয়ারম্যার প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মা একথা জানান৷
রাজ্যের রাজনীতির সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তিপরা দলে যোগদান করলেন সিমনা কেন্দ্রের বিধায়ক বৃষকেতু দেবর্বমা৷ প্রদ্যুৎ -এর ছত্রছায়া নিচে যোগদান করতে চলেছে আইপিএফটি বিধায়ক বৃষকেতু দেববর্মা৷ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে সেদিন, যেদিন প্রদ্যুৎ নিজেই ছুটে গিয়েছিলেন বৃষকেতু বাড়িতে৷ শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সেটাই বাস্তবে রুপ দিলো৷


এদিন দুপুরে হেজামারার সুরেন্দ্রনগর সুকল মাঠে আয়োজিত এক যোগদান সভার মাধ্যমে তিপরা পার্টির চেয়ারম্যান প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ ও তিপরা পার্টির সভাপতি বিজয় রাংখলের উপস্থিতিতে দলীয় পতাকা হাতে তুলে দিয়ে বৃষকেতু দেবর্বমা তিপরা পার্টিতে যোগদান করেন৷ প্রদ্যুত কিশোর দেববর্মন এদিন সভায় বক্তব্য রেখতে গিয়ে বলেন গেটার তিপরাল্যান্ডের জন্য কারোর তিপরা পার্টির কর্মী, সিপিআইএম কর্মী, আইপিএফটি কর্মী বা কংগ্রেস কর্মী হতে হবে না৷ তিপরাসা হতে হবে৷ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে জোট হয়ে কোন লাভ নেই৷ জাতির প্রধান দাবি তিপরাল্যান্ড৷ আর সেই দাবি পূরণ করা হলো আগামী দিনের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান প্রদ্যুৎ৷

তবে প্রশ্ণ উঠেছে বৃষকেতু যে আশা ভরসা নেই আইপিএফটি থেকে তিপরা পার্টিতে যোগদান করেছে সেটা আগামী দিনে কতটা বাস্তবায়িত হবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ণ৷ যদিও রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়তে আইপিএফটি দলের নেতাকর্মীদের তিপরা পার্টি ছাড়া আর কোনো পথ নেই৷ কারণ গত স্বশাসিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে আইপিএফটি দল ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে৷ গত তিন বছরে যে কতটা জনগণের আশা ভরসা হারিয়ে ফেলেছে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এডিসি ফলাফলে৷ কারণ খাতাই খুলতে পারেনি আইপিএফটি৷

ফলে আইপিএফটি অধ্যায় থেকে নিজেকে সরিয়ে আনতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে গত কয়েক মাসে একাধিক প্রথম সারির নেতৃত্ব৷ তবে এদিন যোগদান সভা থেকে আরো একটি বিষয়ে স্পষ্ট হয়ে যায় সেটা হলো আগামী দিনে উপনির্বাচনে তিপরা পার্টির হয়ে বিধানসভার প্রথম কেন্দ্র সিমনা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়তে ময়দান মুখে হবেন বৃষকেতু দেববর্মা৷ প্রসঙ্গত বৃষকেতু ইতিমধ্যেই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফাপত্র বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে দিয়েছেন৷ যদিও অধ্যক্ষ রেবতী দাস ইস্তফাপত্র খারিজ করে দিয়েছেন৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *