নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ এপ্রিল৷৷ ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে ক্ষুব্দ নাগরিকরা৷ নির্ধারিত সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত করবি না আসার কারণেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়৷ঘটনা বিশালগড় মহকুমার চড়িলামে৷চড়িলাম দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় সংলগ্ণ উত্তর চড়িলাম উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে ভ্যাক্সিনেশন অফিসারের উপর রেগে অগ্ণিশর্মা হয়ে ওঠে নাগরিকরা৷ ঘটনা মঙ্গলবার বেলা ১১ টা নাগাদ৷ মঙ্গলবার উত্তর চড়িলাম উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য সকাল আটটা থেকে লাইনে দাঁড়ান নারী-পুরুষ সকলে৷ বৈশাখের কাঠফাটা রোদ্দুরে সকাল ৮ টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নাগরিকরা৷
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এম পি ডব্লিউও যথাসময়ে অফিসে আসেন৷ কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় চড়িলাম সুকলের পি জি টি শিক্ষিকা তথা ভ্যাক্সিনেশন অফিসার মাধুরী বিশ্বাস দেরি করে আসেন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে৷ যার ফলে যথাসময়ে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়নি৷এমনটাই অভিযোগ করেছেন মাল্টিপারপাস সহ উপস্থিত নাগরিকরা৷ তাদের অভিযোগ ভ্যাক্সিনেশন অফিসার যথাসময়ে না আসায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা প্রচণ্ড গরমে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয় নাগরিকদের৷ যার ফলে নাগরিকরা ক্ষেপে লাল হয়ে যান৷এই বিষয়ে ভ্যাক্সিনেশন অফিসারকে জিজ্ঞেস করলে উনি বলেন বাড়ি থেকে আসতে আসলে দেরি হয়ে গিয়েছে৷
কিছুক্ষণের জন্য নাগরিকরা উত্তেজিত হয়ে উঠেন৷ এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়৷ নাগরিকদের বক্তব্য হল জেলাশাসক এবং জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেছেন জেলার ১৬৩টি ভ্যাক্সিনেশন সেন্টারে সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হবে৷ অথচ কেন ভ্যাক্সিনেশন অফিসার দেরি করে আসেন সেই প্রশ্ণ তুলেছেন অপেক্ষমান নাগরিকরা৷ গুরুত্বপূর্ণ কাজে জড়িত অফিসার ও কর্মীদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন অনেকেই৷

