নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৯ এপ্রিল৷৷ উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা থানার পূর্ব হুরুয়া এলাকায় গ্রামীণ চড়ক মেলাকে কেন্দ্র করে জমজমাট জুয়ার আসর চলছে৷ ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রপতি কালার্স প্রাপ্ত পুলিশ বাবুদের সামনে চলছে ঝান্ডি মুন্ডা ও জুয়ার রমরমা বাণিজ্য৷ ঘটনা ধর্মনগর মহাকুমার কদমতলা থানাাধীন হুরুয়াস্থিত রসময়ীর সুকল ময়দানে৷
একদিকে ত্রিপুরা রাজ্যে করোণা মহামারীর গ্রাফ ক্রমশই ঊর্ধমুখী হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখান কোন বালাই নেই৷ প্রশাসনের তরফ থেকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে৷যেমন মুখে মাস্ক বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে হবে৷কিন্তু কতিপয় লোকজন সব নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রশাসনিক নির্দেশিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে চড়ক মেলা৷ চড়ক মেলার আড়ালে ঝান্ডি মুন্ডার রমরমা বাণিজ্য৷এমনই এক ঘটনা পরিলক্ষিত হল ধর্মনগরের কদমতলা থানাধীন পূর্ব হুরুয়ার সুকল প্রাঙ্গনে৷ সেখানে চলেছে জমজমাট জুয়ার বাণিজ্য৷এই জুয়া বাণিজ্যের ফলে যুবসমাজ ধবংসের পথে ধাবিত হচ্ছে৷ মেলা কমিটি বা পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কুম্ভনিদ্রায় নিদ্রিত৷ তারা ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করছে৷
স্বাভাবিক কারণেই স্থানীীয জনমনে প্রশ্ণ উঠেছে তাহেেল কি সর্ষের মধ্যেই ভূত বিরাজমান? নাকি অন্য রকম কোনো গোপন সমঝোতা রয়েছে? এটাই জনগণের প্রশ্ণ৷ কুখ্যাত জুয়া মাফিয়া বাবুল মিয়া একাধিকবার পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে৷ কিন্তু কদমতলা থানার পুলিশ কোনভাবেই এই ঝান্ডি মুুুন্ডার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না৷অবশ্য মাঝে মধ্যে লোকদেখানো ছোটখাটো জুয়ার বোর্ড আটক করে থাকে পুলিশ৷ কিন্তু জোয়ার মাস্টারমাইন্ড বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করছে না রাষ্ট্রপতি কালারসপ্রাপ্ত খাকি উর্দিধারী কদমতলা থানার পুলিশ৷

