মধুপুর সীমান্তে পাচার বাণিজ্য রমরমা, বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৩ জানুয়ারি৷৷ সিপাহী জলা জেলার বিশালগড় মহাকুমার মিয়াপাড়া জওয়ানরা সীমান্তে টহল দেওয়ার সময় ৪৫ কেজি কেজি শুকনো গাঁজা আটক করতে সক্ষম হয়েছেন৷ সংবাদ সূত্রে জানা গেছে মিয়াপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের জওয়ানরা সীমান্তে যখন টহল দিচ্ছিল তখন পাচারকারীরা ওই সীমান্তপথে গাজা পাচারের চেষ্টা করছিল৷


বিষয়টি লক্ষ্য করে টহলরত বিএসএফ জওয়ানরা এগিয়ে আসলে বিএসএফের ধাওয়া পাচারকারীরা পালিয়ে যায়৷ পালিয়ে যাওয়ার সময় তারা গাঁজা সীমান্তের ওপারে পাঠাতে পারেনি কিংবা সঙ্গে করে সেখান থেকে নিয়ে যেতে পারিনি৷ সীমান্ত সংলগ্ণ এলাকাতে গাঁজা গুলি ফেলে পালিয়ে যায় পাচারকারীরা৷ সেখান থেকে শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে বিএসএফের টহলদারি বাহিনী৷ উদ্ধার করা শুকনো গাজা মধুপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ জওয়ানরা৷ উদ্ধার করা গাজার আনুমানিক বাজার মূল্য পাঁচ লক্ষাধিক টাকা বলে জানা গেছে৷বিএসএফের তরফ থেকে জানানো হয়েছে বিএসএফের কঠোর নজরদারির ফলেই পাচারকারীরা সীমান্তের ওপারে গাঁজা পাচার করতে সক্ষম হয়নি৷ সীমান্ত এলাকায় ফেলে যাওয়া গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও গাজা পাচারকারীদের আটক করতে পারেনি বিএসএফ জওয়ানরা৷

এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিএসএফের তরফ থেকে জানানো হয়েছে৷ উল্লেখ্য মিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রতিনিয়ত গাঁজা সহ অন্যান্য নেশাজাতীয় সামগ্রী বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে৷ বিএসএফের টহল এবং নজরদারির দুর্বলতার সুযোগে কাজে লাগিয়ে পাচারকারীরা এ ধরনের কাজকর্ম প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় জনগণের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে৷ বিএসএফ সতর্ক থাকলে যে পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করা সম্ভব গাজা উদ্ধারের ঘটনার মধ্য দিয়েই তার প্রমাণ মিলেছে বলেও তারা দাবি করেছেন৷সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের টহল এবং নজরদারি বাড়ানোর জন্য সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনগণ সহ অন্যান্যরা জোরালো দাবি জানিয়েছেন৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *