রাজ্যের পৃথক জায়গায় অস্বাভাবিক মৃত্যু তিন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা/ তেলিয়ামুড়া, ৬ অক্টোবর৷৷ মেয়ের বিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদের জেরে আত্মহত্যা করেছে স্ত্রী৷ আত্মঘাতী মহিলার নাম পুষ্পা দাস৷ বাড়ি পূর্ব আড়ালিয়া৷ ঘটনার বিবরণে জানা যায় পুষ্পা দাস এর মেয়ের বিয়ে দেওয়ার জন্য আলাপ আলোচনা চলছিল৷


বিয়ের দেওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ শুরু হয়৷এরই জের ধরে স্ত্রী পুষ্পা দাস শেষ পর্যন্ত ফাঁসিতে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে জানা যায়৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে৷ পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে৷ এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আত্মগোপন করে রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷
বাবার পশ্চিম কল আচরণ সহ্য করতে না পেরে অবশেষে ফাঁসিতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল একাদশ শ্রেণিতে পাঠরত অভিমানী পুত্র৷ আত্মঘাতী একাদশ শ্রেণির ছাত্রের নাম প্রসেনজিৎ দাস৷ বাবার নাম বিশ্বজিৎ দাস৷ বাড়ি তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার তুই সিংরাই এর পূর্ব হাওয়াই বাড়ি এলাকায়৷


সংবাদ সূত্রে জানা গেছে বিস্বজিত দাস ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রতিদিন ঝগড়াঝাটি হত৷ বাবা আকন্ঠ মদ্যপান করে বাড়িতে ফিরতে৷শুধুমাত্র স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়াঝাটি করেই ক্ষান্ত থাকতোনা বিশ্বজিৎ দাস৷ একাদশ শ্রেণিতে পাঠরত পুত্রকেও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ কর তো৷বাবার পশ্চিম কোন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিল না একাদশ শ্রেণিতে পাঠরত পুত্র প্রসেনজিৎ৷ পশ্চিম কল পিতাকে বারবার বুঝিয়ে কোন কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ফাঁসিতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে সে৷ তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷ তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে৷আত্মীয় পরিজন এবং প্রতিবেশিরা প্রসেনজিতের মৃত্যুর জন্য তার বাবাকে পূর্বভাগে দায়ী করেছেন৷


তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার ব্রহ্মচারী এলাকায় রোগ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে৷ আত্মঘাতী ব্যক্তির নাম অনিল সরকার৷বাড়ি তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার ব্রজবাসী সরদার পাড়া৷ আনুমানিক ৫৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভুগছিলেন৷ দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভুগে ওই ব্যক্তি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন৷দীর্ঘ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ওই ব্যক্তি ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়৷ ময়নাতদন্তের পর মৃত দেহটি আত্মীয়-পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে৷