আগরতলা, ৮ আগস্ট (হি.স.) ৷৷ করোনা-র প্রকোপে যখন বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন বন্ধ রয়েছে৷ সেখানে অনলাইনে এবং ক্যাবল টিভির সহায়তায় পঠন-পাঠন জারি রাখার চেষ্টা করেছে ত্রিপুরা সরকার৷ কল-সেন্টার স্থাপন করেও ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনায় কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হয়েছে৷ তবুও ৯৪,০১৩ জন ছাত্রছাত্রীর কাছে কোনওভাবেই পৌঁছতে পারেনি ত্রিপুরা সরকার৷ এ-ক্ষেত্রে ঘাটতি কোথায় তা-ও খুঁজে বের করা হয়েছে৷
ত্রিপুরায় প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি সুকলে ছাত্রছাত্রী রয়েছে ৩,২২,২৯৭ জন৷ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১,১১,৬১৮ জনের কাছে স্মার্ট ফোন এবং ১,১৬,৬৬৬ জনের সাধারণ ফোন রয়েছে৷ সমীক্ষায় আরও বিশদে তথ্য উঠে আসায় জানা গেছে, ইন্টারনেট সংযোগ নেই ১,২৫,৯০৮ জন এবং ক্যাবল সংযোগ নেই ১,৪২,২৩৮ জন ছাত্রছাত্রীদের কাছে৷ সে-ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে ১,৯৬,৩৮৯ জন এবং ক্যাবল সংযোগ রয়েছে ১,৮০০৫৯ জন ছাত্রছাত্রীদের কাছে৷
এ-বিষয়ে জেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ধলাই জেলায় ৫৩ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ এবং ৫০ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ, গোমতি জেলায় ৫০ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ এবং ৫৫ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ, খোয়াই জেলায় ৫৪ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ এবং ৪৬ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ, উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ৬৯ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ এবং ৫৯ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ, সিপাহিজলা জেলায় ৭২ শতাংশ এবং ৭০ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় ৫৭ শতাংশ এবং ৫২ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ, ঊনকোটি জেলায় ৫২ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ এবং ৪২ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ৬৩ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ এবং ৬১ শতাংশ ক্যাবল সংযোগ রয়েছে৷ সারা ত্রিপুরায় গড় হিসাবে ৬১ শতাংশের কাছে ৬১ শতাংশ এবং ৫৬ শতাংশের ক্যাবল সংযোগ রয়েছে৷
এদিকে, ৩,২২,২৯৭ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ১,২৫,৯০৮ জনের কাছে ইন্টারনেট সংযোগ এবং ১,৪২,২৩৮ জন ছাত্রছাত্রীর কাছে ক্যাবল সংযোগ নেই৷ অন্যদিকে ১,৯৬,৩৮৯ জনের কাছে ইন্টারনেট সংযোগ এবং ১,৮০,০৫৯ জন ছাত্রছাত্রীর ক্যাবল সংযোগ রয়েছে৷ ত্রিপুরা নতুন দিশা সেল-এর সংগৃহীত ওই রিপোর্টে সারা ত্রিপুরায় ৩,৯৭৪টি সুকল থেকে তথ্য সংগ্রহের বর্ণনা রয়েছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে, ৯৪,০১৩ জন ছাত্রছাত্রীর কাছে কোনওভাবেই পৌঁছতে পারছে না ত্রিপুরা সরকার৷ এখন তাদের কাছে পৌঁছনোর দিশা খুঁজে বের করা হয়েছে৷ খোলা আকাশের নীচে পাঠ দানের মাধ্যমে ওই ছাত্রছাত্রীদের পঠন-পাঠনে জোর দেবে ত্রিপুরা সরকার৷

