পৃথক স্থান যান সন্ত্রাসে গুরুতর আহত আটজন

নিজস্ব প্রতিনিধি,চুরাইবাড়ি/ধর্মনগর/আমবাসা, ২৪ জুলাই৷৷ সাত সকালে পূজোর ফুল তুলতে গিয়ে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় গুরুতরভাবে আহত সুমন নাথ (২৫) নামের শারীরিক বিকলাঙ্গ যুবক৷ সাথে আহত বাইক চালক রহিম আলী (২৮)৷ উভয়েই ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি কদমতলা থানা পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে৷ দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে কদমতলা ধর্মনগর প্রধান সড়কের লালছড়া বাজার সংলগ্ণ এলাকায়৷ঘটনার বিবরণে প্রকাশ প্রতিদিনের ন্যায় আজও সাজ সকালে উত্তর জেলার কদমতলী থানাধীন পূর্ব ইচাইলালছড়া গ্রামের বাসিন্দা শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ সুমন নাথ পিতা সুনীল চন্দ্র নাথ পূজোর ফুল তুলতে নিজ বাড়ি থেকে কদমতলা ধর্মনগর প্রধান সড়কটি পেরিয়ে পাশের বাড়িতে যাচ্ছিল৷ ঠিক তখনই একই গ্রামের আব্দুল রহিম (২৮) পিতা মৃত অমর আলী নিজেরইয়াম্মা কোম্পানির ট্ট১৫ বিলাসী বাইক নিয়ে লালছড়া থেকে কদমতলা দিকে আসছিল৷ আর বাইকের প্রবল দ্রুতগতির কারণে বেপরোয়াভাবে এসে সুমন নাথকে সজোরে ধাক্কা মারে৷ বাইকের ধাক্কায় বিকলাঙ্গ যুবক সুমন নাথ রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে৷

সাথে বাইক নিয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে বাইক চালক আব্দুল রহিম৷দুজনকে গুরুতরভাবে আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে প্রেমতলা দমকল কর্মীরা কদমতলা গ্রামীণ হাসপাতাল নিয়ে আসে৷ তাদের অবস্থা গুরুতর দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের রেফার করলে তাদের আত্নীয় পরিজনরা তাদেরকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ কিন্তু এর মধ্যে আব্দুর রহিমের ভাই কলিম উদ্দিন কদমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকের সাথে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ৷আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কলিম উদ্দিনকে কদমতলা থানার পুলিশ আটক করেছে৷ বর্তমানে কদমতলা থানার পুলিশি হেফাজতে রয়েছে কলিম উদ্দিন৷ পাশাপাশি কদমতলা থানার পুলিশ একটি মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে৷সাথে পুলিশ দুর্ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাইকটি উদ্ধার করে কদমতলা থানায় নিয়ে এসেছে৷ এদিকে বাইক চালক আব্দুর রহিমের পরিবার-পরিজনরা কর্তবরত চিকিৎসকের সাথে কলিম উদ্দিনের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করায় চিকিৎসকের কাছে ভুল স্বীকার করেন এবং দায়ের হওয়া মামলায় প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন৷পুলিশ তদন্ত করছে এবং যদি তাদের মধ্যে আপোষ মীমাংসা হয় তাহলে মামলা প্রত্যাহার হতে পারে বলে জানিয়েছেন কদমতলা থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার৷


উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের কামেশ্বর এ একটি অল্টো এবং ট্রিপার এর মধ্যে সংঘর্ষে চার যাত্রী গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন৷ জানা যায় ট্রিপার গাড়িটি দ্রুত বেগে এসে অলটো গাড়িকে সরাসরি ধাক্কা দেয়৷ তাতে অলটো গাড়ির চারজন যাত্রী গুরুতরভবে আহত হন৷দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে ধর্মনগর হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ বর্তমানে তারা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷চালকদের দ্রুতগামী তা এবং অসাবধানতার কারণেই ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে৷ ধর্মনগর থানার পুলিশ এ ব্যাপারে একটি মামলা গ্রহণ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷

এদিকে ধলাই জেলার আমবাসায় আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কে বোলেরো গাড়ি একটি অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়ে রাস্তার পাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা লাগে৷ তাতে দুজন যাত্রী গুরুতরভবে আহত হন৷ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ বোলেরো গাড়ির চালক দীপঙ্কর দেবনাথ জানান উল্টোদিক থেকে অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে আসছিল৷ পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়েই রাস্তার পাশে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা লাগে বোলেরো গাড়িটির৷ আমবাসা থানার পুলিশ এ ব্যাপারে একটি মামলা গ্রহণ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷