নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৪ মে৷৷ প্রসাশনিক উদাসীনতায় জীবিকা নির্বাহে বাধ্য হয়ে রেশন কার্ড বন্ধক দিলেন কয়েকটি গরিব পরিবার৷ দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত অশ্বিণী ত্রিপুরাপাড়ার কয়েকজন বাসিন্দা পেটের তাগিদে রেশন কার্ড বন্ধক দিয়েছেন৷
করোনা-র প্রকোপ থেকে সকলকে রক্ষার জন্য দেশজুড়ে লকডাউন চলছে৷ কিন্তু লকডাউনে গরিব অংশের মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন৷ অভাবের তাড়নায় রেশনকার্ড বন্ধক দিয়ে কোনও রকম জীবিকা নির্বাহ করছেন অশ্বিণী ত্রিপুরাপাড়ার বাসিন্দা রামকুমার ত্রিপুরা, বিদ্যামোহন ত্রিপুরা, কাঁচাধন ত্রিপুরা, মনোরঞ্জন ত্রিপুরা ও ব্রজমোহন ত্রিপুরা৷ তাঁরা সকলেই অভাবের তারনায় রেশন কার্ড বন্ধক দিয়েছেন৷
রেশন কার্ডের বিনিময়ে রামকুমার ত্রিপুরা ৮,০০০ টাকা, বিদ্যামোহন ত্রিপুরা ১৫,০০০ টাকা, কাঁচাধন ত্রিপুরা ১৫,০০০ টাকা, মনোরঞ্জন ত্রিপুরা ২০,০০০ টাকা ও ব্রজমোহন ত্রিপুরা ১৫,০০০ টাকা পেয়েছেন৷ তাঁদের অভিযোগ, লকডাউন চলাকালীন প্রশাসনিক স্তরে কোনও প্রকার সহায়তা করা হয়নি৷ বাধ্য হয়েই পরিবার প্রতিপালনে রেশন কার্ড বন্ধক দিয়েছেন তাঁরা৷
এ-বিষয়ে জনৈক মহিলা বলেন, রেশন দোকানে গিয়ে আঙুলের ছাপ দিয়ে সামগ্রী তুলে দিয়েছেন৷ ওই রেশন সামগ্রী খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে৷ অভিযোগ, এ-বিষয়ে সাহায্য করছেন রেশন ডিলার অভিজিৎ সেন৷ কিন্তু, ওই অভিযোগ অস্বীকার করার বদলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে এড়িয়ে যান৷

