ঝড়ের ঝাপ্ঢায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬৫০৮টি বসতঘর, ২৯টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রিত ২৪৯৯ পরিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ এপ্রিল৷৷ করোনা প্রকোপের মাঝেই কালবৈশাখীর ঝাপ্ঢা সহ্য করতে হয়েছে ত্রিপুরাবাসীর৷ ত্রিপুরার ৮ জেলায় বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ তবে, খোয়াই এবং সিপাহিজলা জেলায় মানুষ ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন৷ গত ২২ এপ্রিল ঝড়ের কারণে ত্রাণ শিবিরের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে৷ বর্তমানে ২৯টি ত্রাণ শিবিরে ২৪৯৯ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে৷ অন্যদিকে, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত সারা ত্রিপুরায় ঝড়ে ৬৫০৮ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ ত্রাণ শিবিরগুলোতে খাবার সামগ্রীর বন্দোবস্ত করেছে ত্রিপুরা প্রশাসন৷ সাথে ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করা হচ্ছে৷


রাজ্য দুযর্োগ মোকাবিলা দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সিপাহিজলা জেলায়৷ তবে, অন্যান্য জেলায়ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নেহাত কম নয়৷ সিপাহিজলা জেলায় ২৭১৪টি, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ৫২৭টি, দক্ষিণ জেলায় ১৩১টি, উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ৮৯৮টি, খোয়াই জেলায় ৫৭৪টি, ঊনকোটি জেলায় ৪৩৩টি, গোমতি জেলায় ৪৯৩টি এবং ধলাই জেলায় ৭৩৮টি বসতঘর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ তাছাড়া, সিপাহিজলা জেলায় ঝড়ের কবলে পড়ে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন৷


এদিকে, ঝড়ের প্রকোপে খোয়াই জেলায় ৭টি এবং সিপাহিজলা জেলায় ২২টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে৷ তাতে খোয়াই জেলায় ৯৭ পরিবার এবং সিপাহিজলা জেলায় ২৪০২ পরিবার ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে৷ ইতিপূর্বে সিপাহিজলা জেলায় ১৭টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছিল৷ কিন্তু, পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ওই জেলায় আরও ৫টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে৷ অবশ্য এরই মধ্যে খোয়াই জেলায় একটি ত্রাণ শিবির বন্ধ করা হয়েছে৷