নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১২ মার্চ৷৷ চলতি মাসেই শুরু হচ্ছে বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা৷ এই প্রথম সর্বসুবিধা যুক্ত অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু হচ্ছে রাজ্যে৷ জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা প্রকল্পের অধীন পিপিপি মডেলে ওই সুবিধা ত্রিপুরায় চালু হচ্ছে৷ এতে ত্রিপুরা সরকার, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন এবং বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা একত্রিত হয়ে কাজ করবে৷ সমস্ত অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্যারা মেডিক ওই অ্যাম্বুলেন্সে থাকবে৷ সারা ত্রিপুরায় এমন মোট ৫০টি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেবে৷
এ-বিষয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তা অদিতি মজুমদার বলেন, বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা এই প্রথম ত্রিপুরায় চালু হচ্ছে৷ এতে ৫০টি অ্যাম্বুলেন্স সারা ত্রিপুরায় পরিষেবা দেবে৷ তাছাড়া, বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সগুলিও যুক্ত করা হবে৷ তিনি বলেন, জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার অন্তর্গত পিপিপি মডেলে ওই সুবিধা প্রদান করা হবে৷ ইতিমধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে৷ এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের অপেক্ষা৷
অদিতি মজুমদারের কথায়, ১০২ হেল্পলাইন চালু হবে ত্রিপুরায়৷ তার জন্য নির্দিষ্ট কল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে৷ সারা ত্রিপুরার যে কোনও প্রান্ত থেকে ১০২ নম্বরে ডায়াল করলেই অ্যাম্বুলেন্স রোগীর কাছে পৌঁছে যাবে৷ তাঁর কথায়, ওই অ্যাম্বুলেন্সগুলিতে সমস্ত ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে৷ তাছাড়া প্রত্যেক অ্যাম্বুলেন্সে একজন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্যারা মেডিক থাকবেন৷ তাতে রোগীর কোনও সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে৷
ওই পরিষেবার সাথে যুক্ত বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা সাহিল আজ বলেন, ত্রিপুরায় বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালুর জন্য ইতিমধ্যে ৩৫টি অ্যাম্বুলেন্স এসে পড়েছে৷ বাকি ১৫টি অ্যাম্বুলেন্স রাস্তায় রয়েছে৷ শীঘ্রই এসে পড়বে৷ তিনি বলেন, সমস্ত অ্যাম্বুলেন্সে জিপিএস লাগানো থাকবে৷ এতে কোন অ্যাম্বুলেন্স কোথায় অবস্থান করছে তা সহজেই চিহ্ণিত করা যাবে৷ তাঁর দাবি, ১০ দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ওই পরিষেবা ত্রিপুরায় চালু করা হবে৷ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রোগীরা ওই সুবিধা নিতে পারবেন৷

