জমির মূল্য নির্ধারণে অনলাইন পদ্ধতির সূচনা রাজ্যে, এতে স্বচ্ছতা আসবে, দাবি রাজস্বমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ ফেব্রুয়ারী৷৷ আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে জমির মূল্য নির্ধারণে উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ৷ তবে, ২০১০ সালের পর জমির মূল্য নির্ধারণ না হওয়ায় এখন তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে৷ শনিবার আগরতলায় জমির রেজিস্ট্রেশন এবং মূল্য নির্ধারণে অনলাইন পদ্ধতির সূচনা করে এ-কথা বলেন ত্রিপুরার রাজস্বমন্ত্রী এনসি দেববর্মা৷ তাঁর দাবি, অনলাইন পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখা সম্ভব হবে৷


এদিন তিনি বলেন, ত্রিপুরায় জমির চাহিদা এবং তার সাথে পাল্লা দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল৷ তাঁর কথায়, ত্রিপুরায় জমির খাজনা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক কম৷ কিন্তু সময়ের সাথে জমির দাম হু হু করে বাড়ছে৷ তাই, সামঞ্জস্য বজায় রেখে জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে৷ তাঁর দাবি, অনলাইনে ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যবস্থায় মানুষ স্বচ্ছতা বজায় রেখে জমি করে-বিক্রয় করতে পারবেন৷


এ-বিষয়ে রাজস্ব দফতরের প্রধান সচিব বি কে সাহু বলেন, অন্যান্য রাজ্যে জমির দাম ত্রিপুরার তুলনায় অনেক বেশি৷ বেসরকারিভাবে ত্রিপুরায়ও জমির সাংঘাতিক মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে৷ ফলে সরকারিভাবে জমির নতুন মূল্য নির্ধারণ জরুরি হয়ে উঠেছিল৷ তাঁর কথায়, এমনটা মনে হওয়া খুবই স্বাভাবিক, জমির দাম এক লাফে অনেকটা বেড়েছে৷ কিন্তু, দীর্ঘ ১০ বছর বাদে জমির নতুন মূল্য নির্ধারণে মনে হচ্ছে দাম অনেক বেড়েছে৷ তিনি বলেন, আগামীতে অত্যন্ত সহজে জমির মূল্য নির্ধারণ সম্ভব হবে৷ বি কে সাহু জানান, এতদিন অফলাইনে সমস্ত কাজ হত৷ এখন থেকে অনলাইনে জমি সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্ত কাজ হবে৷


তাছাড়া, জমির খাজনা বাড়ানো হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন৷ তবে, নতুন অনলাইন পদ্ধতিতে কেউ কর ফাঁকি দিতে পারবেন না৷ তাঁর দাবি, জমি কেনা-বেচায় মানুষকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে৷ এখন থেকে স্বচ্ছতা বজায় রেখে জমি কেনা-বেচা হবে সহজে৷